বিশ্ব

বাবার সঙ্গে ছয় মাস কথা নেই, ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে শঙ্কায় ছেলেরা

  • 5:53 am - August 29, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৪২ বার
পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানইয়।ছবি: সংগৃহীত

কারাগারে থাকা পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট তারকা ইমরান খানের স্বাস্থ্য ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁর দুই ছেলে সুলাইমান খান ও কাসিম খান। প্রায় ছয় মাস ধরে বাবার সঙ্গে তাঁদের কোনো ফোনে কথা হয়নি বলে জানিয়েছেন তাঁরা। সর্বশেষ গত মার্চে ঈদুল ফিতরের সময় বাবার সঙ্গে তাঁদের কথা হয়েছিল। ওই ফোনালাপ স্থায়ী হয়েছিল মাত্র ২০ মিনিট।

লন্ডনে আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ২৭ বছর বয়সী কাসিম খান বলেন, বাবার সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁরা জানেন না কতক্ষণ কথা বলার সুযোগ পাবেন। সাধারণত প্রায় ২০ মিনিট কথা বলার অনুমতি দেওয়া হয়। ইমরান খান তখন ছেলেদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন। কিন্তু তাঁর নিজের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দ্রুত প্রসঙ্গ পরিবর্তন করেন বলে জানান কাসিম।

বাবার একটি কথা স্মরণ করে কাসিম বলেন, ‘তুমি জানো, এটা এ রকমই।’

৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দী অবস্থায় প্রায় তিন বছর পার করেছেন। ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারিত হওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা হয়েছে। এসব মামলার মধ্যে দুর্নীতি, রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ফাঁস এবং রাষ্ট্রীয় উপহার বেআইনিভাবে বিক্রির মতো অভিযোগ রয়েছে। তবে ইমরান খান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

তাঁর অধিকাংশ সাজা স্থগিত বা বাতিল হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর আপিল এখনো বিচারাধীন। ইমরান খানের পরিবার ও তাঁর রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসব মামলা করা হয়েছে।

বাবাকে অস্থির দেখে উদ্বিগ্ন দুই ছেলে

সম্প্রতি ইমরান খানের দুই বোন উজমা ও নওরিনকে তাঁর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়। কয়েক মাসের মধ্যে এটিই ছিল তাঁদের প্রথম সাক্ষাৎ। বোনদের কাছ থেকে বাবার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথা জানতে পেরে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইমরানের দুই ছেলে।

২৯ বছর বয়সী সুলাইমান খান বলেন, তাঁর ফুফুরা বাবাকে এতটা অস্থির অবস্থায় দেখে বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর দাবি, নির্জন কারাবাসের মাধ্যমে ইমরান খানকে মানসিকভাবে চাপের মধ্যে রাখা হয়েছে।

কাসিম বলেন, কারাগারে তাঁর বাবার হৃদস্পন্দন বেড়ে যায় এবং তীব্র উদ্বেগের কারণে বুক ধড়ফড় করে। তাঁর ভাষায়, ইমরান খান সাধারণত অত্যন্ত শান্ত ও মানসিকভাবে দৃঢ় একজন মানুষ। তাই তাঁর উদ্বেগে ভোগার খবর তাঁকে বিস্মিত করেছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে ইমরান খানের আইনজীবীরা দাবি করেছিলেন, তিনি ডান চোখের প্রায় ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। সম্প্রতি বাবার সঙ্গে দেখা করা দুই বোনের কাছ থেকেও চোখে পট্টি থাকার কথা জানতে পেরেছেন সুলাইমান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, টানা প্রায় ১০ মাস ইমরান খানকে কোনো দর্শনার্থীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সাক্ষাতের সুযোগও নিয়মিত দেওয়া হয়নি বলে তাঁর দাবি।

চিকিৎসা নিয়ে পরিবারের অভিযোগ, সরকারের অস্বীকার

ইমরান খানের পরিবার অভিযোগ করেছে, তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হয়নি।

তবে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। আল-জাজিরাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয়কে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা উচিত নয়। সরকারের পক্ষ থেকে কারও স্বাস্থ্যের প্রতি অবহেলা বা অসম্মান দেখানো হয়নি বলেও বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, কারাবন্দী হওয়ার পর থেকে ইমরান খানের প্রায় ৩০ বার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। কারাগারের চিকিৎসকেরাও নিয়মিত তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন। সাম্প্রতিক পরীক্ষায় তাঁর অবস্থা স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল পাওয়া গেছে এবং গুরুতর বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার মতো কোনো শারীরিক অবনতির তথ্য চিকিৎসা নথিতে নেই বলেও দাবি করেছে সরকার।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ নিয়েও বিরোধ

ইমরান খানের চিকিৎসা ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ নিয়ে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টও নির্দেশ দিয়েছেন।

১৮ আগস্ট তিন বিচারপতির একটি বেঞ্চ ইমরান খানকে দুই দিনের মধ্যে বেসরকারি শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে প্রতি সপ্তাহে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা এবং সপ্তাহে দুবার ছেলেদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালত ইমরান খানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও তাঁর চিকিৎসক বোনকে চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত করার অনুমতিও দিতে বলেন।

এর আগে হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞদের একটি বোর্ড তাঁর স্বাস্থ্য পর্যালোচনা করে জানিয়েছিল, ইমরানের রক্তচাপ ওঠানামা করছে এবং তিনি উদ্বেগে ভুগছেন। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত থাকার বিষয়টি তাঁর মানসিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলছে বলেও চিকিৎসকদের ধারণার কথা জানানো হয়েছিল।

তবে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁকে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পরিবর্তে সরকারি পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসে (পিআইএমএস) নেওয়া হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত শারীরিক পরীক্ষা শেষে ২০ আগস্ট তাঁকে আবার কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।

এরপর ইমরান খানের দল আদালত অবমাননার অভিযোগে একটি আবেদন করেছে।

‘স্বাধীন চিকিৎসা পরীক্ষা চান’ ইমরানের ছেলে

সুলাইমান খান অভিযোগ করে বলেন, সরকারি চিকিৎসকদের ওপর চাপ থাকতে পারে এবং তাঁদের কী বলতে হবে, তা আগে থেকেই নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এ কারণে তাঁরা বাবার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ চিকিৎসা পরীক্ষা চান।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইমরান খানের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে সরকার বা কারা কর্তৃপক্ষ কী তথ্য গোপন করছে।

কাসিমও পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের হাতে এখন ব্যাপক ক্ষমতা থাকায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়নের প্রচেষ্টাও কার্যকর হচ্ছে না।

তিনি বলেন, তাঁরা যতটা সম্ভব আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।

মুক্তির দাবিতে আন্তর্জাতিক সমর্থন

ইমরান খানের মুক্তি ও তাঁর অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য এসেছে। জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের কয়েকজন রাজনীতিক এবং সাবেক ক্রিকেটারদের একটি অংশ তাঁর মুক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইমরানের ছেলে কাসিম আশা করছেন, যুক্তরাজ্য তাঁর বাবার পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ ইমরান খান দীর্ঘ সময় যুক্তরাজ্যে বসবাস করেছেন এবং দেশটির সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে।

ইমরানের সাবেক স্ত্রী ও দুই ছেলের মা জেমিমা গোল্ডস্মিথও যুক্তরাজ্যের সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের কাছে বিষয়টি তুলে ধরে বলেছেন, ইমরান খান দীর্ঘ সময় ধরে নির্জন কারাবাসে রয়েছেন এবং পরিস্থিতি এখন মানবাধিকারের জরুরি অবস্থায় পরিণত হয়েছে।

জেমিমার দাবি, তাঁর দুই ছেলে ব্রিটিশ নাগরিক হলেও তাঁদের পাকিস্তানের ভিসা দেওয়া হয়নি। বরং ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করতে পাকিস্তানে গেলে তাঁদের গ্রেপ্তারের ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

২০২২ সালের পর বাবার সঙ্গে সরাসরি দেখা হয়নি

২০২২ সালের নভেম্বরে ইমরান খানের ওপর হত্যাচেষ্টার পর তাঁর ছেলেরা সর্বশেষ পাকিস্তানে গিয়ে বাবার সঙ্গে সরাসরি দেখা করেছিলেন। এরপর থেকে তাঁদের সঙ্গে ইমরান খানের যোগাযোগ মূলত ফোনেই সীমিত ছিল।

কাসিম জানান, বাবার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁদের কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নিরাপত্তার কারণে তাঁরা সেসব পরিকল্পনা প্রকাশ করতে চান না।

তাঁর ভাষ্য, তাঁরা জনসমক্ষে যা বলেন, পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দ্রুত তা জানতে পারেন।

সুলাইমান বলেন, তাঁদের জন্য এটি এখন সবচেয়ে কঠিন সময়। পরিস্থিতি অত্যন্ত অন্ধকার মনে হলেও ইমরান খানের বিষয়টি এখন আগের তুলনায় বেশি আন্তর্জাতিক মনোযোগ পাচ্ছে। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সহযোগিতাই তাঁদের এই পরিস্থিতি সামলাতে সাহায্য করছে বলে জানান তিনি।

বাবার মানসিক শক্তির ওপর আস্থা

ইমরান খান তাঁর দুই ছেলেকে বরাবরই রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমের আলো থেকে দূরে রেখেছেন। সুলাইমান ও কাসিমও প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা ক্যামেরার সামনে আসা থেকে দূরে থেকেছেন।

তবে বাবার স্বাস্থ্য ও কারাবাসের পরিস্থিতি নিয়ে এখন তাঁরা প্রকাশ্যে কথা বলছেন।

কাসিম তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থার জন্য পাকিস্তান সরকারকে দায়ী করেন। তাঁর প্রশ্ন, একজন বন্দীকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করার মধ্যে মানবিকতা কোথায়।

তিনি বলেন, ইমরান খানকে বই পড়তে দেওয়া হচ্ছে না, ছেলেদের সঙ্গে নিয়মিত ফোনে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না এবং দীর্ঘ সময় একা কারাকক্ষে রাখা হচ্ছে বলে তাঁদের অভিযোগ।

কাসিমের দাবি, সরকার যদি এসব অভিযোগকে মিথ্যা মনে করে, তাহলে একজন স্বাধীন চিকিৎসকের মাধ্যমে ইমরান খানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং সেই চিকিৎসা প্রতিবেদন প্রকাশ করা উচিত। এতে পরিবারের উদ্বেগ কমার পাশাপাশি পাকিস্তানের জনগণও তাঁর প্রকৃত শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারবে।

তবে এতসব উদ্বেগের মধ্যেও বাবার মানসিক শক্তির ওপর আস্থা হারাননি কাসিম। তিনি বলেন, পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক, এই কঠিন সময় থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা যদি কারও থাকে, তবে তিনি ইমরান খান।

সূত্রঃ আল জাজিরা

এই শাখার আরও খবর

রংপুরের চার হত্যাকাণ্ডে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সন্দেহ বাড়ছে কেন?

রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় পুলিশের প্রচলিত ঘটনাক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে পাওয়া কিছু তথ্যের সঙ্গে পুলিশের বর্ণিত হত্যার সময়ের…

রংপুরের চার হত্যাকাণ্ড: পুলিশের বক্তব্যে অসংগতি দেখছে আসক

রংপুর নগরের আলোচিত চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের দেওয়া বক্তব্যে অসংগতি রয়েছে বলে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। বিশেষ করে হত্যাকাণ্ডের সময়, পুলিশের…

বাংলাদেশের মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ, যা বলল ভারত ও পাকিস্তান

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশকে যুক্ত করার প্রস্তাব এলে তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর…

মিরপুরে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, প্রতিবেশী সুমন কারাগারে

ঢাকার মিরপুরে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রতিবেশী সুমন মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল এ আদেশ…

মেলবোর্নে ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে ছুরিকাঘাত, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন মা

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের কেন্দ্রীয় ব্যবসায়িক এলাকায় (সিবিডি) মস্তিষ্কের ক্যানসারে আক্রান্ত ১০ বছরের ছেলেকে এক অপরিচিত ব্যক্তির হামলা থেকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন এক মা। হাসপাতালে…

কাদের বাঁচাতে আসামিদের পক্ষে দাঁড়াচ্ছেন না রংপুরের আইনজীবীরা?

  রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামির পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী আইনি লড়াই করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে রংপুর জেলা আইনজীবী…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au