রুশ হামলার পর কিয়েভের বাসিন্দা ‘আমরা বেঁচে আছি, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ’
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে রুশ ড্রোন হামলার পর একটি গোলাবারুদ গুদামে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবারের ওই হামলায় মিলা গ্রামসহ আশপাশের বিভিন্ন…
উত্তর সাইপ্রাসের উপকূলের কাছে একটি যাত্রীবাহী নৌযান ডুবে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো এক ডজনের বেশি যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে তুরস্ক ও উত্তর সাইপ্রাসের কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
উত্তর সাইপ্রাসের স্বঘোষিত তুর্কি প্রশাসনের প্রধানমন্ত্রী উনাল উস্তেল জানান, নৌযানটিতে ২৫৯ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু সদস্য ছিলেন। শনিবার কিরেনিয়া উপকূলীয় শহর থেকে তুরস্কের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর পর নৌযানটিতে পানি ঢুকতে শুরু করে। পরে সেটি সাগরে ডুবে যায়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, খারাপ আবহাওয়ার কারণে নৌযানটির যাত্রা বিলম্বিত হয়েছিল। পরে সমুদ্রে দুটি বড় ঢেউয়ের আঘাতের মুখে পড়ে নৌযানটি। প্রথম ঢেউয়ের পর ক্যাপ্টেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছিলেন। এর মধ্যেই দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত করলে নৌযানটির ভেতরে পানি ঢুকতে শুরু করে।
দুর্ঘটনার পর প্রায় ১০০ জন যাত্রীকে নিরাপদে তীরে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উত্তর সাইপ্রাসের পরিবহনমন্ত্রী এরহান আরিকলি। উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের চিকিৎসার জন্য সৈকতে অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নিখোঁজদের উদ্ধারে হেলিকপ্টার ও কোস্টগার্ডের নৌযান মোতায়েন করা হয়েছে। তুরস্কের কর্তৃপক্ষও উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে নৌযানটির ক্যাপ্টেনসহ সাতজন ক্রু সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী উনাল উস্তেল বলেছেন, দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং কোনো ধরনের গাফিলতি পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে নিখোঁজদের উদ্ধার ও মানুষের জীবন রক্ষাই সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।
এদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, নিখোঁজদের উদ্ধারে উত্তর সাইপ্রাসের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au