রুশ হামলার পর কিয়েভের বাসিন্দা ‘আমরা বেঁচে আছি, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ’
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে রুশ ড্রোন হামলার পর একটি গোলাবারুদ গুদামে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবারের ওই হামলায় মিলা গ্রামসহ আশপাশের বিভিন্ন…
নেপাল-তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর ষষ্ঠ দিনেও নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৮০০ জনে পৌঁছেছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন দুই হাজার পাঁচশর বেশি মানুষ।
সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে হাসপাতালের দেয়ালে তাদের ছবি লাগিয়ে অপেক্ষা করছেন পরিবারের সদস্যরা। প্রিয়জনের কোনো সন্ধান মিলবে, সেই আশায় উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তারা।
উদ্ধারকারীরা ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে নিখোঁজদের সন্ধানে একটি গর্ত তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। ওই পথ দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে উদ্ধার অভিযান চালানোর সুযোগ তৈরি হলেও এখন পর্যন্ত ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। নিখোঁজদের মধ্যে কয়েকশ জন নেপালের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মী বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুর্যোগে নেপালের পাশাপাশি চীনের নিয়ন্ত্রণাধীন তিব্বতও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি হিসাবে তিব্বতে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের প্রায় অর্ধেকই বিদেশি নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া নেপালে নিখোঁজদের তালিকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকও রয়েছেন। ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও উদ্ধারকারীরা কয়েকটি সফল অভিযানে কিছু মানুষকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে নিখোঁজদের মধ্যে আরও জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধারের আশা করছেন উদ্ধারকারীরা।
তবে চীনের শিগাতসে শহরে পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। এর চীনবিষয়ক সংবাদদাতার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শহরটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধারকারী দলগুলো এখন পর্যন্ত কাউকে জীবিত খুঁজে পায়নি। নিখোঁজদের সন্ধানে সেখানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au