সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী: পঁচাত্তর-পরবর্তী দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের হাল ধরা এক সাহসী নেত্রী
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের মূল্যায়ন শুধু তাঁদের কোনো একটি পদ বা দায়িত্ব দিয়ে করা যায় না। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথপরিক্রমায় তাঁদের ভূমিকা ছড়িয়ে…
অস্ট্রেলিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসায় থাকা বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাজের সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে দেশটির সরকার। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাবক্লাস ৫০০ শিক্ষার্থী ভিসাধারীরা তাদের কোর্স বা প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রতি দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন।
অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার জন্য ব্যবহৃত প্রধান ভিসা হলো সাবক্লাস ৫০০। এই ভিসার আওতায় শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত কোর্সের পুরো সময় অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করতে পারেন। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট শর্ত মেনে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করার সুযোগও রয়েছে।
স্বরাষ্ট্র দপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীর কোর্স বা প্রশিক্ষণ যখন চলমান থাকবে, তখন প্রতি দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা কাজ করা যাবে। অর্থাৎ টার্ম চলাকালীন গড়ে সপ্তাহে প্রায় ২৪ ঘণ্টা কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
তবে এই কাজের সীমা মূলত শিক্ষার্থীর কোর্স বা প্রশিক্ষণ চালু থাকা সময়ের জন্য প্রযোজ্য। নির্ধারিত ছুটির সময়ে কাজের নিয়ম ভিন্ন হতে পারে। তাই শিক্ষার্থী ভিসাধারীদের কাজ শুরু করার আগে তাদের ভিসার নির্দিষ্ট শর্ত এবং কোর্সের সময়সূচি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন ব্যবস্থা তদারককারী স্বরাষ্ট্র দপ্তর তাদের অফিসিয়াল সাবক্লাস ৫০০ ভিসার শর্তাবলিতে এসব বিষয় উল্লেখ করেছে। ভিসার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে নির্ধারিত সময়ের বেশি কাজ না করার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।
সাবক্লাস ৫০০ ভিসার আওতায় ইংরেজি ভাষার কোর্স থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পড়াশোনা এবং নিবন্ধিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কোর্স করার সুযোগ রয়েছে।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এই নিয়মটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার খরচ, বাসাভাড়া ও দৈনন্দিন ব্যয়ের একটি অংশ বহন করতে খণ্ডকালীন চাকরির ওপর নির্ভর করেন। বিশেষ করে বিদেশে পড়াশোনার পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার কাজের শর্ত আগে থেকেই জানা জরুরি।
অস্ট্রেলিয়ায় নির্ধারিত সময়ের বেশি কাজ করা ভিসার শর্ত লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এর ফলে শিক্ষার্থীর ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানের অধিকারও ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই কাজের সুযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সীমা মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নাইজেরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের কাছে উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। বিদেশে পড়াশোনার পাশাপাশি বৈধভাবে কাজ করে নিজের কিছু খরচ বহন করতে চান এমন শিক্ষার্থীদের জন্য সাবক্লাস ৫০০ ভিসার কাজের শর্ত জানা বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়।
অস্ট্রেলিয়ার স্টুডেন্ট ভিসার অন্যান্য শর্তও মেনে চলতে হবে। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, ভিসার নির্ধারিত কোনো শর্ত পূরণ না করলে আবেদন শুরুতেই প্রত্যাখ্যাত বা অবৈধ ঘোষণা হতে পারে। ফলে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থীদের ভিসা আবেদন থেকে শুরু করে দেশটিতে অবস্থান ও কাজের পুরো সময় নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au