মেয়ের সহপাঠীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখেন বাবা
জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর মেয়ের সহপাঠী ওই শিশুকে বাড়িতে…
প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রাক্তন সহকারী দিশা সালিয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন মোড় এসেছে। ছয় বছর আগের এই মৃত্যুর ঘটনায় সোমবার এফআইআর দায়ের করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। মামলার তদন্তে শিবসেনা নেতা আদিত্য ঠাকরে, অভিনেতা ডিনো মোরিয়া ও রিয়া চক্রবর্তীসহ একাধিক নাম উঠে এসেছে বলে জানা গেছে।
সিবিআই সূত্র জানিয়েছে, তদন্তের প্রয়োজনে আরও কয়েকজনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। হত্যা, গণধর্ষণ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রমাণ নষ্ট করা এবং মিথ্যা তথ্য দেওয়ার মতো অভিযোগের ধারায় মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সিবিআইয়ের এফআইআরে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২০ সালে দিশার মৃত্যুর সময় মহারাষ্ট্রের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, তাঁর ছেলে আদিত্য ঠাকরে এবং আরও কয়েকজন ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁদের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মী ও পুলিশ কর্মকর্তাদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে সিবিআই। মামলার নথি, সরকারি ফাইল ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ নষ্ট বা গোপন করা, সরকারি নথি জাল করা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
এর আগে দিশার মৃত্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব নথি ও তথ্য চেয়ে মুম্বাই পুলিশকে চিঠি দিয়েছিল সিবিআই।
প্রায় দুই সপ্তাহ আগে দিশার মৃত্যুর মামলার তদন্ত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয় বম্বে হাইকোর্ট। দিশার বাবা সতীশ সালিয়ানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ সেপ্টেম্বর আদালত এই নির্দেশ দেয়।
এরপরই মামলাটির তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। গত সপ্তাহে সিবিআইয়ের কাছে নিজের বক্তব্যও রেকর্ড করেন দিশার বাবা।
বয়ানে তিনি অভিযোগ করেন, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, তাঁর ছেলে আদিত্য ঠাকরেসহ কয়েকজন তাঁর মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত তথ্য ধামাচাপা দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
২০২০ সালের ৮ জুন মুম্বাইয়ের একটি আবাসনের ১৪ তলা থেকে পড়ে মারা যান দিশা সালিয়ান। তাঁর মৃত্যুর ছয় দিন পর, ১৪ জুন বান্দ্রার বাড়ি থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতকে।
দিশার মৃত্যুর ঘটনায় তখন অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিল মুম্বাই পুলিশ। পুলিশের তদন্তে তাঁর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে পুলিশের সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেননি দিশার বাবা। গত বছর বম্বে হাইকোর্টে করা আবেদনে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর মেয়েকে গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছিল।
বর্তমানে দিশার মৃত্যুর ঘটনায় ওঠা এসব অভিযোগেরই তদন্ত করছে সিবিআই। তদন্ত শেষে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও ঘটনায় কারও সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা স্পষ্ট হবে।
সূত্র :আনন্দবাজার.কম
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au