মেয়ের সহপাঠীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখেন বাবা
জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর মেয়ের সহপাঠী ওই শিশুকে বাড়িতে…
লাল টুকটুকে ফোলা গাল, টানা চোখ, মুখে মিষ্টি হাসি। দেখতে যেন একেবারে পুতুলের মতো। বিশাল আকৃতির এই ‘কিউট গণেশ’ এখন পশ্চিমবঙ্গের বরাহনগরে রীতিমতো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে এই ব্যতিক্রমী প্রতিমার ছবি ও ভিডিও।
গণেশ চতুর্থীর দিন সকাল থেকেই এই প্রতিমা দেখতে ভিড় জমিয়েছেন নানা বয়সী মানুষ। বরাহনগরে কেশব চন্দ্র কলেজের পাশের একটি প্রাঙ্গণে বসেছে এই পুজোর মণ্ডপ।
বরাহনগরের ‘হাওয়া সকাল’ ক্লাব এবারের পুজোয় তৈরি করেছে এই ‘কিউট গণেশ’ বা ‘বেবি গণেশ’। গত বছরও ক্লাবটি ‘বাল গণপতি’ থিমে প্রতিমা তৈরি করেছিল।
ক্লাবের পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, শুধু এ বছর নয়, প্রতিবছরই তাঁরা শিশু বা পুতুলের আদলে ভিন্নধর্মী গণেশ প্রতিমা তৈরি করেন। এ বছর পুজোর ১৫ বছর পূর্ণ হয়েছে।
প্রতিমাটি তৈরি করেছেন কলকাতার পরিচিত মৃৎশিল্পী পরিমল পাল। উদ্যোক্তাদের দাবি, শিল্পী এবারও গণেশকে একেবারে শিশুর অবয়বে ফুটিয়ে তুলেছেন। লাল ফোলা গাল, টানা চোখ আর মুখের মিষ্টি হাসিই প্রতিমাটির মূল আকর্ষণ।
প্রচলিত ধাঁচের প্রতিমার তুলনায় এবারের গণেশকে কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
মণ্ডপের পুরোহিতের মতে, এই ধরনের গণেশপুজোয় আলাদা কোনো নিয়ম নেই। তাঁর ভাষায়, “ভগবানের নানা রূপ রয়েছে। এখানে বাল্যরূপে পূজিত হচ্ছেন গণেশ।”
স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রতিমাটির প্রশংসা করেছেন। তাঁদের অনেকেরই বক্তব্য, প্রতিবছরই ‘হাওয়া সকাল’ ক্লাব ভিন্নধর্মী প্রতিমা তৈরি করে দর্শনার্থীদের চমক দেয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
এর আগে সরস্বতীপুজোয় কলকাতার বিভিন্ন ক্লাবের তৈরি ‘কিউট সরস্বতী’ বা ‘বেবি সরস্বতী’ প্রতিমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিল। এবার গণেশ চতুর্থীতেও সেই একই ধারার প্রতিমা নজর কাড়ল।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au