প্রিমিয়ার লিগে মুখোমুখি হওয়া ২৫ দলের বিপক্ষেই গোল হালান্ডের
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নতুন এক মাইলফলক গড়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজীয় স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করে প্রিমিয়ার লিগে এখন পর্যন্ত যেসব দলের মুখোমুখি হয়েছেন,…
কুমিল্লার দেবিদ্বারে আত্মহত্যায় বাধা দেওয়ায় মা ও ৮ মাস বয়সী ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ইমন (২৪) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তার ভাবি রাবেয়া বেগমকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। ঘটনার পর স্থানীয়রা ইমনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপপরিদর্শক (এসআই) বাঁধন।
নিহতরা হলেন বড়শালঘর গ্রামের মৃত ফরিদ মিয়ার স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৬২) ও তার ৮ মাস বয়সী নাতনি ইসরাত। আহত রাবেয়া বেগমকে প্রথমে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ইমন নিহত পেয়ারা বেগম ও মৃত ফরিদ মিয়ার ছোট ছেলে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ আরও জানায়, ইমনের পায়ের লিগামেন্টে সমস্যা থাকায় তার অপারেশন করা হয়েছিল। অপারেশনের পর থেকে তার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দেয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
রোববার দিবাগত রাতে ইমন ঘরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় তার মা পেয়ারা বেগম ও ভাবি রাবেয়া বেগম তাকে বাধা দেন। তাদের বাধার মুখে ইমন আত্মহত্যার চেষ্টা থেকে সরে আসেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে ওই বিষয়কে কেন্দ্র করে ইমন তার মা ও ভাবিকে গালাগাল করতে থাকেন। একপর্যায়ে ঘরে থাকা দা দিয়ে মা পেয়ারা বেগমকে কুপিয়ে আহত করেন। এ সময় মায়ের কাছে থাকা ৮ মাস বয়সী ইসরাতকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। বাধা দিতে গেলে ভাবি রাবেয়া বেগমকেও কুপিয়ে আহত করেন ইমন।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পেয়ারা বেগম ও ইসরাতকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত রাবেয়া বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এসআই বাঁধন বলেন, ঘটনার পর স্থানীয়রা ইমনকে আটক করে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au