বাংলাদেশ

দিল্লির বৈঠকে ওবায়দুল কাদেরের হুঁশিয়ারি: ‘অতিরিক্ত দমন-পীড়নের পরিণতি ভয়াবহ হবে’

  • 11:48 pm - September 21, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১৯৭ বার
ওবায়দুল কাদের। ছবিঃ সংগৃহীত

শেখ হাসিনার ডাকা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের বৈঠকে অনলাইনে দেওয়া দীর্ঘ বক্তব্যে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কিছু মন্তব্য নিয়ে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুক্রবার রাতে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে পারেননি ওবায়দুল কাদের। চোখের ছানি অপারেশনের কারণে তিনি দিল্লি যেতে না পারলেও অনলাইনে যুক্ত হয়ে দীর্ঘ বক্তব্য দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বক্তব্যে আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বাংলাদেশের বর্তমান কূটনৈতিক অবস্থান, ব্রিকস সম্মেলন, মক্কা চুক্তি এবং ২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী সরকারের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সময়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের একটি বড় অংশজুড়ে ছিল বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পররাষ্ট্রনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক পরিসরে একঘরে হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে সদ্য অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তকে তিনি বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করেন।

তবে সরকারি বক্তব্য অনুযায়ী, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের কোনো সরকারি প্রতিনিধি অংশ নেননি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং সেই আমন্ত্রণের ধরন নিয়ে ঢাকার আপত্তি ছিল।

ওবায়দুল কাদের তাঁর বক্তব্যে ২০২৪ সালের আগস্টের পর বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হওয়া পাকিস্তান ও তুরস্কের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিরও সমালোচনা করেন। দলীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, তিনি পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তার ওপর দেশটির নির্ভরতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তুরস্কের ক্ষেত্রেও অর্থনৈতিক চাপের কথা উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন দেশগুলোকে কেন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

তুরস্কের স্বর্ণ বিক্রির প্রসঙ্গটিও তাঁর বক্তব্যে আসে বলে দলীয় সূত্রের দাবি। বিশ্ব গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে তুরস্কের কেন্দ্রীয় ব্যাংক উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্বর্ণ বিক্রি করেছে এবং বছর শুরুর দিক থেকে দেশটি বিশ্বের বড় স্বর্ণ বিক্রেতাদের একটি ছিল। জুলাই পর্যন্ত তুরস্কের স্বর্ণ বিক্রির পরিমাণ ৮৫ টনে পৌঁছায়।

পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক অর্থায়নের ওপর নির্ভরতার বিষয়টি সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। রয়টার্সের ১৭ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান চীনের সঙ্গে ৩০ বিলিয়ন ইউয়ানের কারেন্সি সোয়াপ লাইন বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি এক্সচেঞ্জ স্ট্যাবিলাইজেশন সুবিধা পাওয়ার বিষয়েও আলোচনা করছে।

তবে ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল ‘কথা’ এবং ‘পরিণতি’ নিয়ে তাঁর বিশ্লেষণ।

তিনি বলেন, কথা কখনো কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে, নেতৃত্ব দেয়, আবার কখনো সর্বনাশ ডেকে আনে। এ প্রসঙ্গে তিনি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের উদাহরণ টেনে বলেন, ওই ভাষণের মাধ্যমে সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে মুক্তির সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ করা হয়েছিল।

বক্তব্যে তিনি বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের বহুল উদ্ধৃত অংশ, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’-এর প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।

এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের গেটিসবার্গ ভাষণের উদাহরণ দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে কীভাবে একটি রাজনৈতিক বক্তব্য মানুষের চিন্তা, রাষ্ট্রের গতিপথ এবং ইতিহাসের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে।

এর বিপরীতে তিনি ফরাসি বিপ্লবের নেতা ম্যাক্সিমিলিয়েন রোবেসপিয়েরের উদাহরণ টানেন। বিপ্লব রক্ষার নামে রোবেসপিয়েরের নেতৃত্বে ‘রেইন অব টেরর’ বা সন্ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠার ইতিহাস উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য অতিরিক্ত দমন-পীড়ন শেষ পর্যন্ত তার উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধেই ফিরে আসতে পারে।

ফরাসি বিপ্লবের ইতিহাসে রোবেসপিয়েরের শেষ পরিণতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে তার তুলনা করেন বলে বৈঠকে উপস্থিত নেতাদের উদ্ধৃত করে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। সরাসরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বা মুহাম্মদ ইউনূসের নাম না নিয়ে তিনি তাঁদের ২০২৪ সালের আন্দোলন-পরবর্তী রাজনৈতিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে ইঙ্গিত করেন বলে আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই অংশটিকেই বৈঠকে তাঁর বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন দলটির নেতাদের একটি অংশ। তাঁদের মতে, রোবেসপিয়েরের পরিণতির উদাহরণ দিয়ে ওবায়দুল কাদের মূলত বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সতর্ক করেছেন যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন এবং কঠোর শাস্তির ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত ক্ষমতাসীনদের জন্যও বিপজ্জনক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেয়। অন্য ছয়জন হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

ট্রাইব্যুনালের রায়ে ওবায়দুল কাদেরসহ পাঁচজনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের ৫০ শতাংশ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, বাজেয়াপ্ত সম্পদ বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারের ক্ষতিপূরণে ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে।

এর আগে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেয়।

আওয়ামী লীগের নেতাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে কঠোর সাজা এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মামলাকে কেন্দ্র করে দলের ভেতরে যে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে, ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যে তারই প্রতিফলন দেখা গেছে বলে বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতাদের একটি অংশ মনে করছেন।

তবে নিজের বক্তব্যে তিনি শুধু বর্তমান রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আক্রমণ করেননি, দলের নেতাকর্মীদেরও সতর্ক করেছেন। বিশেষ করে এমন কোনো বক্তব্য না দেওয়ার জন্য তিনি দলীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যা আওয়ামী লীগ বা দেশের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দলের প্রতিটি নেতাকে মনে রাখতে হবে, দল ও দেশের কল্যাণই তাদের মূল লক্ষ্য। এমন কোনো শব্দ বা বক্তব্য উচ্চারণ করা উচিত নয়, যা দলের জন্য নতুন বিপদ ডেকে আনে কিংবা দেশের ক্ষতি করে।

এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি একদিকে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের অবস্থান তুলে ধরেছেন, অন্যদিকে দলের নেতাকর্মীদের বক্তব্যের ক্ষেত্রে সংযত হওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন বলে বৈঠকসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

দিল্লির বৈঠকে শেখ হাসিনার উপস্থিতি এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে তাঁর আলোচনা ইতোমধ্যে দলটির অভ্যন্তরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে আলোচনা তৈরি করেছে। তার মধ্যেই ওবায়দুল কাদেরের দীর্ঘ অনলাইন বক্তব্যে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান, বর্তমান সরকারের নীতি এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ভবিষ্যৎ নিয়ে একাধিক ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে।

বিশেষ করে রোবেসপিয়েরের উদাহরণ এবং রাজনৈতিক বক্তব্যের ‘চরম পরিণতি’র প্রসঙ্গকে ঘিরেই আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে। সরাসরি কারও নাম না নিলেও বক্তব্যের রাজনৈতিক লক্ষ্য কার দিকে ছিল, তা নিয়েই দলের নেতাদের মধ্যে নানা ব্যাখ্যা তৈরি হয়েছে।

এই শাখার আরও খবর

শরীয়তপুরের কলেজের কনসার্টে শেখ হাসিনা ও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার সরকারি শামসুর রহমান কলেজে নবীনবরণ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্টে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার…

বিএনপির কর্মসূচিতে বেজে উঠল শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা গান

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত প্রচারণা কর্মসূচিতে মাইকে বেজে উঠেছে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা গান ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা…

শেখ মুজিবকে ‘জাতির পিতা’ সম্বোধন, বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সভায় দুই দফা হট্টগোল

জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় ব্যানারে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল হয়েছে। পরে…

বাংলাদেশ-পাকিস্তান থেকে যাওয়া সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দিতে তোড়জোড় পশ্চিমবঙ্গে

বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে যাওয়া নির্দিষ্ট ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন…

শেখ হাসিনার নিরাপত্তার উদ্যোগ নিতে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ৬ এমপির চিঠি

বাংলাদেশে বিচারব্যবস্থার রাজনীতিকরণ বন্ধ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরার আগে তাঁর আইনি ও শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাজ্যের…

৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ হুজুরের, গ্রেপ্তারের পর কারাগারে

ওটিএন বাংলা ডেস্ক :  নরসিংদীর মনোহরদীতে মক্তবে আরবি পড়তে গিয়ে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে আট বছর বয়সী এক শিশুশিক্ষার্থী। শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মক্তবের শিক্ষক…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au