মাঠের বাইরের সংকটে রুগ্ণ বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট
এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক ধরে রাখতে না পারার পেছনে শুধু ব্যাটিং-বোলিংয়ের ব্যর্থতা নয়, মাঠের বাইরের অস্থিরতাও বড় কারণ বলে মনে করছেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের…
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের পাশে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় হাসনাত হাবিব রিফাত নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সোমবার রাতে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি থানা এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হাসনাত হাবিব রিফাত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের ২০১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি কৃষি ব্যাংকে চাকরি পান। চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর তিনি আজমুলদের মেসে থেকে ব্যাংকে যাতায়াত করতেন। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদর থানার গুণেরগাতী গ্রামে।
হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান, আজমুলকে মারধরের সময় রিফাত ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার পর তিনি সেখান থেকে চলে যান। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে চুরির অপবাদ দিয়ে আজমুলকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তিনি চারতলা একটি ভবনের ছাদ থেকে নিচে পড়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আজমুল নিজে ছাদ থেকে পড়ে গিয়েছিলেন, নাকি তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, নাকি মারধরের একপর্যায়ে তাকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ঘটনার পর আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দীন বাদী হয়ে হরিণটানা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
তদন্তকারীরা বলছেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং আজমুলের মৃত্যুর আগে তার ওপর কী ধরনের নির্যাতন করা হয়েছিল, তা যাচাই করা হচ্ছে। আটক হাসনাত হাবিব রিফাতকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি মামলায় অন্য কারা জড়িত এবং ঘটনার সময় প্রত্যেকের ভূমিকা কী ছিল, সেসব বিষয়ও তদন্ত করা হবে।
আজমুলের মৃত্যুর ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক মহলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au