বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য গবেষণার নমুনা ও তথ্যে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করছে বাংলাদেশ

  • 2:22 am - September 24, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৪৫ বার
স্বাস্থ্য গবেষণার নমুনা ও তথ্যে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করছে বাংলাদেশ। ছবিঃ সংগৃহীত

স্বাস্থ্য গবেষণায় ব্যবহৃত জৈবিক নমুনা, গবেষণা থেকে উৎপন্ন তথ্য এবং সেই গবেষণার মাধ্যমে সৃষ্ট মেধাস্বত্বের ওপর বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ২১ সেপ্টেম্বরের বৈঠকের নোটিশ অনুযায়ী, বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকটি হওয়ার কথা। এতে স্বাস্থ্য গবেষণা, জৈবিক সম্পদ, গবেষণার তথ্য, মেধাস্বত্ব, নমুনা বিদেশে পাঠানো এবং গবেষণা থেকে বাংলাদেশের ন্যায্য সুবিধা পাওয়ার অধিকারসহ একাধিক বিষয় নিয়ে সমন্বিত নীতিগত কাঠামো তৈরির বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রস্তাবিত নীতিমালার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যগত স্বার্থ, দেশের নিজস্ব গবেষণা সক্ষমতা এবং স্বাস্থ্য গবেষণায় সংগৃহীত নমুনা ও তথ্যের ওপর দেশের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে গবেষণা থেকে উদ্ভূত মেধাস্বত্ব এবং গবেষণার ফলাফল থেকে বাংলাদেশ যেন ন্যায্য সুবিধা পায়, সেটিও নীতিমালার গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা হিসেবে উঠে এসেছে।

এই উদ্যোগ কার্যকর হলে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাবিষয়ক গবেষণা পরিচালনাকারী বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, পরীক্ষাগার, ওষুধ কোম্পানি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রমে এর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে সংগৃহীত রক্ত, টিস্যু, ডিএনএ, রোগজীবাণু বা অন্যান্য জৈবিক নমুনা বিদেশের কোনো গবেষণাগারে পাঠানো হলে এবং সেসব নমুনা থেকে নতুন গবেষণাতথ্য বা বাণিজ্যিকভাবে মূল্যবান আবিষ্কার হলে তার মালিকানা, ব্যবহার ও সুবিধা বণ্টনের বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেতে পারে।

তবে মন্ত্রণালয়ের বর্তমান নোটিশে নমুনা বিদেশে পাঠানো নিষিদ্ধ করা বা নতুন কোনো নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করার কথা বলা হয়নি। বরং স্বাস্থ্য গবেষণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়কে একটি সমন্বিত নীতিমালার আওতায় আনার উদ্যোগের কথাই এতে বলা হয়েছে।

বিষয়টির গুরুত্বের একটি বড় কারণ হলো গবেষণায় ব্যবহৃত জৈবিক নমুনার মূল্য শুধু নমুনাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বাংলাদেশে সংগৃহীত কোনো নমুনা গবেষণাগারে বিশ্লেষণের পর সেখান থেকে জিনগত তথ্য, রোগ নির্ণয়সংক্রান্ত তথ্য, মহামারিবিদ্যাগত তথ্য কিংবা অন্য কোনো বৈজ্ঞানিক তথ্য তৈরি হতে পারে। পরবর্তী সময়ে এসব তথ্য গবেষণাপত্র প্রকাশ, পেটেন্ট, ওষুধ বা চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার হতে পারে।

ফলে প্রশ্নটি শুধু বাংলাদেশের কোনো নমুনা বিদেশে পাঠানো হলো কি না, তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। সেই নমুনা থেকে উৎপন্ন তথ্য কে নিয়ন্ত্রণ করবে, গবেষণার ফলাফলের ওপর কার অধিকার থাকবে এবং সেখান থেকে আর্থিক বা অন্য কোনো সুবিধা সৃষ্টি হলে বাংলাদেশ ও স্থানীয় গবেষণা-অংশগ্রহণকারীরা তার কতটা সুবিধা পাবেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনেও জৈবিক ও জিনগত সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুবিধার ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক বণ্টনের বিষয়টি স্বীকৃত। ২০১৭ সালের বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য আইনের ৩০ ধারায় জিনগত বা জৈবিক সম্পদ থেকে পাওয়া সুবিধা ন্যায্যভাবে বণ্টনের বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সুবিধা নিশ্চিত করা, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির যৌথ মালিকানা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ও প্রতিষ্ঠানকে গবেষণায় সম্পৃক্ত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আর্থিক বা অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার বিষয় রয়েছে।

এ ছাড়া জীববৈচিত্র্য বিষয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সঙ্গেও বিষয়টি সম্পর্কিত। জীববৈচিত্র্য-সংক্রান্ত নাগোয়া প্রটোকল বাংলাদেশ ২০২৩ সালে অনুমোদন করেছে। বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের জীববৈচিত্র্য আইন জিনগত সম্পদে প্রবেশাধিকার এবং সুবিধা বণ্টনের একটি আইনি ভিত্তি তৈরি করলেও বিস্তারিত বিধিমালা ও কার্যকর ‘অ্যাকসেস অ্যান্ড বেনিফিট-শেয়ারিং’ বা সম্পদে প্রবেশাধিকার ও সুবিধা বণ্টন ব্যবস্থা আরও উন্নত করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট জিনগত বা জৈবিক সম্পদ সংগ্রহ কিংবা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে পূর্বানুমতির কাঠামো রয়েছে। একই সঙ্গে এসব সম্পদ ব্যবহার করে পরবর্তী সময়ে কোনো মেধাস্বত্ব তৈরি হলে তার ক্ষেত্রেও অনুমোদনের বিষয়টি আইনি কাঠামোর অংশ। তবে বাস্তবে কার্যকর ও বিস্তারিত নিয়ম, পারস্পরিক সম্মত শর্ত এবং সুবিধা বণ্টনের পদ্ধতি আরও সুস্পষ্ট করা প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগে তাই শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নয়, একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধিকে পাঠানোর জন্য সচিবকে অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর, জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের এমন বিস্তৃত অংশগ্রহণ থেকে বোঝা যায়, বিষয়টি শুধু কোনো একটি গবেষণা প্রকল্পের অনুমোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাওয়া হচ্ছে না। বরং স্বাস্থ্য গবেষণা, জৈবিক সম্পদ, বিদেশে নমুনা স্থানান্তর, গবেষণার তথ্য, পরিবেশ, বাণিজ্যিক ব্যবহার এবং মেধাস্বত্বকে একটি অভিন্ন নীতিগত কাঠামোর মধ্যে আনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

বিশেষ করে বিদেশে জৈবিক নমুনা পাঠানোর ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কী ধরনের অনুমোদন লাগবে, গবেষণা শেষ হওয়ার পর নমুনা কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, একই নমুনা দিয়ে দ্বিতীয় কোনো গবেষণা করা যাবে কি না, গবেষণার ফলাফলের মালিকানা কার থাকবে এবং সেখান থেকে কোনো পেটেন্ট বা বাণিজ্যিক পণ্য তৈরি হলে তার সুবিধা কীভাবে ভাগ হবে, এসব বিষয় নীতিমালায় স্পষ্ট করা হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে ‘ম্যাটেরিয়াল ট্রান্সফার অ্যাগ্রিমেন্ট’ বা জৈবিক নমুনা হস্তান্তর চুক্তিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কোনো নমুনা বাংলাদেশ থেকে বিদেশি গবেষণাগারে পাঠানো হলে সেটি কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে, অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া যাবে কি না, গবেষণার ফলাফল প্রকাশের নিয়ম কী হবে এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল নমুনা সরবরাহকারী দেশ বা প্রতিষ্ঠানের অধিকার কী থাকবে, এসব বিষয় এ ধরনের চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারণ করা সম্ভব।

আধুনিক জিনগত বিশ্লেষণ প্রযুক্তির কারণে বিষয়টি আরও জটিল হয়েছে। কারণ অনেক ক্ষেত্রে মূল জৈবিক নমুনাটি দীর্ঘ সময় বিদেশে সংরক্ষণ বা স্থানান্তরের প্রয়োজন না থাকলেও নমুনা থেকে তৈরি জিনগত তথ্য পরবর্তী সময়ে গবেষণায় ব্যবহার করা যায়। ফলে কোনো নমুনার শারীরিক নিয়ন্ত্রণ কার কাছে রয়েছে, তার পাশাপাশি সেই নমুনা থেকে উৎপন্ন তথ্যের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারাধিকার নিয়েও নীতিগত প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের জন্য এ কারণে বিষয়টি শুধু স্বাস্থ্য গবেষণার প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রশ্ন নয়। এর সঙ্গে দেশের জৈবিক ও জিনগত সম্পদ, গবেষণার সার্বভৌমত্ব, স্থানীয় গবেষণা সক্ষমতা, মেধাস্বত্ব এবং গবেষণা থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার বিষয়ও যুক্ত হচ্ছে।

বিশ্বজুড়েও জৈবিক ও জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে সুবিধা বণ্টন নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। একদিকে আন্তর্জাতিক গবেষণায় দ্রুত নমুনা ও তথ্য আদান-প্রদানকে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। অন্যদিকে যেসব দেশ বা জনগোষ্ঠী থেকে এসব সম্পদ সংগৃহীত হয়, তারা গবেষণার ফলাফল ও বাণিজ্যিক সুবিধায় ন্যায্য অংশীদারিত্বের দাবি করে আসছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও নতুন নীতিমালার অন্যতম উদ্দেশ্য হতে পারে এই দুই প্রয়োজনের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা। একদিকে আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা অব্যাহত রাখা, অন্যদিকে দেশের নমুনা, তথ্য ও গবেষণার ফলাফল ব্যবহারের ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ এবং স্থানীয় অংশীদারদের অধিকার নিশ্চিত করা।

তবে ২১ সেপ্টেম্বরের বৈঠকের নোটিশ থেকে এখনই বলা যাচ্ছে না যে বাংলাদেশ ঠিক কী ধরনের নতুন বিধিনিষেধ বা অনুমোদনব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে। বৈঠকের পর খসড়া নীতিমালা তৈরি হবে কি না, আন্তঃমন্ত্রণালয় কোনো সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে উঠবে কি না কিংবা জৈবিক নমুনা ও গবেষণার তথ্য বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন কোনো অনুমোদন প্রয়োজন হবে কি না, সেসব বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

বুধবারের বৈঠকটি তাই গুরুত্বপূর্ণ মূলত নীতিনির্ধারণের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণের কারণে। সেখানে যদি খসড়া নীতিমালা বা নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার প্রস্তাব তৈরি হয়, তাহলে বাংলাদেশে পরিচালিত আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণার ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষ করে বিদেশি গবেষক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জৈবিক নমুনা বিদেশে নেওয়ার প্রক্রিয়া, গবেষণার তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবহারের অধিকার, গবেষণার ফলাফলের মেধাস্বত্ব এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল কোনো আবিষ্কার থেকে বাংলাদেশ বা স্থানীয় গবেষণা-অংশগ্রহণকারীদের সুবিধা পাওয়ার বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট হতে পারে।

সব মিলিয়ে, ২১ সেপ্টেম্বরের নোটিশকে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য গবেষণার ওপর নতুন বিধিনিষেধ ইতোমধ্যে কার্যকর হওয়ার ঘোষণা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি এমন একটি সমন্বিত নীতিমালা তৈরির উদ্যোগের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে জৈবিক নমুনা, গবেষণা থেকে উৎপন্ন তথ্য, মেধাস্বত্ব এবং গবেষণালব্ধ সুবিধা বণ্টনকে পৃথক গবেষণা প্রকল্পের বিষয় হিসেবে না দেখে জাতীয় নীতির অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এই শাখার আরও খবর

ইরান শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ছাড়বে না: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান

ইরান শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ও পারমাণবিক বিজ্ঞানের অধিকার থেকে সরে যাবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বুধবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া…

ইউনূসের জাতিসংঘ সফর ঘিরে বিতর্ক, কেরি কেনেডি-যোগাযোগে নতুন করে ‘ডিপ স্টেট’ আলোচনা

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিউইয়র্ক সফর এবং জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে একটি সাইড-ইভেন্টে তাঁর বক্তব্যকে ঘিরে বাংলাদেশে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক…

কোয়াড বাইক দুর্ঘটনায় তরুণ ফুটবলারের মৃত্যু, শোকে আঞ্চলিক ক্রীড়া অঙ্গন

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি আঞ্চলিক ক্রীড়া মাঠে কোয়াড বাইক দুর্ঘটনায় ২৫ বছর বয়সী এক তরুণ ফুটবলারের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন…

আইএসআইএসের প্রচারণা ছড়ানোর অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ায় ৬৫ বছরের ব্যক্তি গ্রেপ্তার

অস্ট্রেলিয়ায় আইএসআইএসের সদস্য হওয়ার এবং উগ্রবাদী সংগঠনটির প্রচারণা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, ওই ব্যক্তি অনলাইনে প্রচারণা…

মৃত্যুর আগে ‘অন্তর্দ্বন্দ্বে’ ভুগছিলেন প্রেসলি গারবার, উঠে এলো মাদকাসক্তির সঙ্গে লড়াইয়ের তথ্য

২৭ বছর বয়সে মডেল প্রেসলি গারবারের আকস্মিক মৃত্যুর পর তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও দীর্ঘদিনের নানা সংকট নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। তাঁর পরিচিত এক ব্যক্তি…

ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে এমবাপ্পেকে দেখছেন ওয়েন

২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে অন্যতম বড় দাবিদার মনে করছেন সাবেক ইংলিশ তারকা মাইকেল ওয়েন। ২০০১ সালে নিজেই এই পুরস্কার জেতা ওয়েনের…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au