কুষ্টিয়ার মহাশ্মশানে গরুর মাংস রান্না করে পিকনিক, চিতা-সমাধিতে জুতা পায়ে ছবি
কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার হরিনারায়ণপুর মহাশ্মশানে একদল যুবকের গরুর মাংস রান্না করে পিকনিক করার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে শ্মশানের চিতা ও মৃত ব্যক্তির সমাধির ওপর জুতা…
বগুড়ার নন্দীগ্রামে একটি কালীমন্দিরে ভাঙচুরের পর দানবাক্সের টাকা ও বিভিন্ন পূজার সামগ্রী চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মন্দিরের একটি মূর্তি পাশের ডোবার মধ্যে ফেলে রাখা হয়। পরে মন্দিরের পুরোহিত সেটি উদ্ধার করেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের মাটিহাঁস গ্রামের ডহরপুর কালীমাতা মন্দিরে ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম।
মন্দিরের পুরোহিত শ্রী খগেন্দ্রনাথ প্রামাণিক জানান, বৃহস্পতিবার নিয়মিত পূজা-অর্চনা শেষে তিনি মন্দির বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান। শুক্রবার সকালে মন্দিরে এসে তিনি দেখতে পান, দানবাক্স ভাঙা এবং ভেতরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
এ সময় একটি মূর্তি মন্দিরে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে মন্দিরের পাশে একটি ডোবা থেকে ওই মূর্তিটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাটিহাঁস থেকে হাটকড়ইগামী আঞ্চলিক সড়কের পাশের একটি ধানক্ষেতে ‘সন্ন্যাসী ঠাকুর’ নামের আরেকটি মূর্তি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানান পুরোহিত।
মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, ভাঙচুরের সময় দানবাক্সের টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কাঁসার ঘণ্টা, ত্রিশূল, কাঁসার কাঁসি, কাঁসার প্লেটসহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রীও চুরি হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশের একটি দল মন্দিরে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ মন্দিরের ভেতরের অবস্থা ও আশপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করেছে।
নন্দীগ্রাম থানার ওসি তারিকুল ইসলাম বলেন, মন্দিরে চুরি ও ভাঙচুরের বিষয়ে গ্রামের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল থানায় এসে অভিযোগ করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি। মন্দির কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।
তবে মন্দিরে ভাঙচুর ও চুরির পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল, সেটি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি পরিকল্পিত কি না বা এর সঙ্গে অন্য কোনো উদ্দেশ্য জড়িত কি না, তদন্তের পর তা স্পষ্ট হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au