বিশ্ব

চ্যাটজিপিটি- ক্লড-জেমিনিতে প্রভাব বিস্তার

ভোটারদের প্রভাবিত করতে যেভাবে এআই ব্যবহার করছেন মার্কিন রাজনীতিকেরা

  • 9:48 pm - October 26, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৭৫ বার
এআই। ছবিঃ রয়টার্স

নির্বাচনে ভোটারদের সমর্থন পেতে এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবটকে নিজেদের পক্ষে প্রভাবিত করার কৌশল নিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রার্থীরা। চ্যাটজিপিটি, ক্লড ও জেমিনির মতো এআই ব্যবস্থায় নিজেদের পছন্দের প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরতে তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ কনটেন্ট, নীতিগত ব্যাখ্যা ও অনলাইন তথ্যভান্ডার। এ নিয়ে প্রকাশিত নথিতে দেখা গেছে, প্রচলিত অনলাইন প্রচারের পাশাপাশি এআইয়ের উত্তরে প্রার্থীদের অবস্থান ও সুপারিশ কীভাবে প্রতিফলিত হবে, তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারশিবির।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দেখা একটি পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনায় ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের গভর্নর মউরা হিলির বিরুদ্ধে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক মিনোগের নির্বাচনী প্রচারের একটি কৌশল তুলে ধরা হয়েছে। এর লক্ষ্য ছিল চ্যাটজিপিটি, ক্লড, জেমিনি ও অন্যান্য এআই চ্যাটবটকে এমনভাবে প্রভাবিত করা, যাতে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত প্রশ্নে মিনোগেকে ভোটারদের কাছে পছন্দের প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এটি প্রচলিত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইওর চেয়ে বিস্তৃত কৌশল। এত দিন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনে নিজেদের ওয়েবসাইট ও প্রচারসামগ্রীকে উপরের দিকে দেখানোর চেষ্টা করতেন। কিন্তু এখন ভোটারদের একটি অংশ সরাসরি এআই চ্যাটবটের কাছে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইছেন। ফলে এআইয়ের উত্তরে কোন প্রার্থীর নাম আসছে, কার নীতিকে বেশি গ্রহণযোগ্য হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে এবং ভোটারদের কী ধরনের তথ্য দেওয়া হচ্ছে, তা নির্বাচনী প্রচারের নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই ক্রমেই সংবাদ ও রাজনৈতিক তথ্যের উৎস হয়ে ওঠায় নির্বাচনী প্রচারশিবিরগুলোকে এ ব্যবস্থার ওপর প্রভাব বিস্তারের জন্য আরও বেশি উদ্যোগ নিতে হচ্ছে। ভোটাররা যখন করব্যবস্থা, আবাসন, জননিরাপত্তা কিংবা অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোন প্রার্থী ভালো, তা জানতে চান, তখন চ্যাটবটের উত্তরে নিজেদের প্রার্থীকে সুপারিশ হিসেবে তুলে ধরাই এসব কৌশলের অন্যতম লক্ষ্য।

তবে এ ধরনের প্রচার নিয়ে তথ্য যাচাই ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি সম্পর্কে উদ্বেগ রয়েছে। এআই চ্যাটবট বিপুল পরিমাণ অনলাইন তথ্য ব্যবহার করে উত্তর তৈরি করে। সেই তথ্যের মধ্যে নির্ভরযোগ্য সূত্রের পাশাপাশি অসম্পূর্ণ, পক্ষপাতদুষ্ট বা যাচাই না করা তথ্যও থাকতে পারে। রাজনৈতিক প্রচারের স্বার্থে অনলাইনে পরিকল্পিতভাবে তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হলে এআইয়ের উত্তরে তার প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মিনোগের নির্বাচনী প্রচারের জন্য তৈরি উপস্থাপনায় এআইয়ের উত্তরে প্রভাব বিস্তারের কৌশলকে ‘জেনারেটিভ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন’ বা জিইও বলা হয়েছে। এআইনির্ভর তথ্য অনুসন্ধানের যুগে এটি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইওর পরবর্তী ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উপস্থাপনায় মিনোগের প্রচারশিবিরকে শত শত এআই-উপযোগী নীতিগত ওয়েবপেজ তৈরি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এমন ওয়েবসাইটে তথ্য ও উদ্ধৃতি প্রকাশের কথা বলা হয়েছে, যেগুলোকে এআই চ্যাটবট সাধারণত নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে ব্যবহার করে। বড় চ্যাটবটগুলো রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তরে কী বলছে, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী অনলাইন কনটেন্ট পরিবর্তনের পরিকল্পনাও এতে রয়েছে।

কৌশলটির মূল ধারণা হলো, শুধু সরাসরি ভোটারদের বোঝালেই হবে না, বরং ইন্টারনেটে এমন তথ্যের উপস্থিতি বাড়াতে হবে, যা এআই সহকারীদের উত্তর তৈরিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এর মাধ্যমে প্রার্থীদের পরিচয়, নীতিগত অবস্থান, অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে তুলনা এবং সুপারিশের ধরনেও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হবে।

নিউইয়র্কভিত্তিক কৌশলগত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান রিলেন্টলেস অ্যাওয়ারনেসের ব্যবস্থাপনা অংশীদার জো বনিলা বলেন, ‘এআইকে প্রভাবিত করার প্রশিক্ষণভিত্তিক নির্বাচনী প্রচার এখন আমাদের সামনে বাস্তবতা হিসেবে হাজির হয়েছে। ২০২৮ সালের নির্বাচনের সময় এটি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে।’

প্রতিষ্ঠানটি কেন্দ্রীয়, অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কোম্পানি এবং রাজনৈতিক প্রার্থীর সঙ্গে কাজ করেছে। বনিলার মতে, সাধারণ মানুষ ক্রমেই বুঝতে সমস্যায় পড়বেন কোন কনটেন্ট ক্লড বা চ্যাটজিপিটির মতো ব্যবস্থা তৈরি করেছে, আর কোনটি মানুষের লেখা।

মিনোগের প্রচারের জন্য তৈরি উপস্থাপনায় বলা হয়েছে, এআই মডেলগুলো আগে থেকেই যেসব উচ্চ কর্তৃত্বসম্পন্ন ওয়েবসাইটের তথ্য ব্যবহার করে, সেসব সাইটে অর্থের বিনিময়ে কনটেন্ট প্রকাশের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ইউটিউব ও রেডিটে কনটেন্ট তৈরি এবং বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে আলাদা ওয়েবপেজ প্রকাশ করা হবে, যাতে সেগুলো চ্যাটবটের অনুসন্ধান ও উত্তর তৈরির প্রক্রিয়ায় উঠে আসে।

উপস্থাপনায় বলা হয়েছে, প্রচারশিবির প্রস্তুত হলে বড় ভাষা মডেলগুলো আগে থেকেই যেসব উচ্চ কর্তৃত্বসম্পন্ন ওয়েবসাইট উদ্ধৃত করে, সেখানে অর্থের বিনিময়ে কনটেন্ট প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে রেডিটকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, কারণ এআইয়ের তথ্য অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় এ প্ল্যাটফর্মের কনটেন্ট তুলনামূলকভাবে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে বলে কৌশলটির প্রণেতারা মনে করেন।

তবে এআইয়ের উত্তরে কোনো প্রার্থীর নাম আসা মানেই যে ওই প্রার্থী নির্বাচনে বেশি ভোট পাবেন, তা নয়। এআইয়ের সুপারিশ ভোটারদের সিদ্ধান্তে কী পরিমাণ প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

ভোটারদের প্রশ্নের কেন্দ্রে এআই

যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইনে নির্বাচনী তথ্যের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক প্রার্থী সম্পর্কে জানতে এআই চ্যাটবট ব্যবহারের প্রবণতাও বাড়ছে। ন্যাশনাল কনফারেন্স অন সিটিজেনশিপের প্রধান নির্বাহী ক্যামেরন হিকির তথ্য অনুযায়ী, ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় যোগ্য ভোটারদের প্রায় ২৫ শতাংশ কোনো না কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী সম্পর্কে জানতে চ্যাটবটকে প্রশ্ন করেছেন।

মিনোগের প্রচারের কৌশলপত্র তৈরি করা টেক্সাসের অস্টিনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভিজিজেন্টের প্রধান নির্বাহী থমাস হাওয়েল বলেন, ‘আপনি যদি সঠিক তথ্য অনলাইনে প্রকাশ না করেন, তাহলে এআই ব্যবস্থাগুলো কোন তথ্য তুলে নেবে, তা কে জানে।’

হাওয়েলের প্রতিষ্ঠানটির ছয়টি রাজনৈতিক প্রচারশিবিরের সঙ্গে কাজ করার কথা জানা গেছে। তবে তিনি সেসব গ্রাহকের পরিচয় প্রকাশ করেননি। মিনোগের নির্বাচনী প্রচারশিবিরের কাছে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ফোন ও ইমেইল করা হলেও তারা সাড়া দেয়নি।

মিনোগের প্রচারের জন্য তৈরি উপস্থাপনায় বলা হয়েছে, এখন নির্বাচনী প্রচারশিবিরগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা হচ্ছে এআইয়ের উত্তরে সুপারিশ করা প্রার্থী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা।

ভোটাররা কীভাবে এআই ব্যবহার করছেন, তা পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ককাস এআইয়ের মেগ শোয়েনজফায়ার বলেন, ‘আমরা এই নতুন যুগের একেবারে শুরুতে রয়েছি।’

তাঁর মতে, চলতি বছর নির্বাচনী প্রার্থীদের প্রধান মনোযোগ ছিল নিজেদের ওয়েবসাইটকে চ্যাটবটের উত্তরে দৃশ্যমান করা। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, চ্যাটবটগুলো অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে উত্তর দেয় এবং যাচাই না করা বিপুল পরিমাণ তথ্য ব্যবহার করতে পারে। ফলে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সতর্ক থাকা জরুরি।

এসইও থেকে জিইও, বাড়ছে প্রচারের খরচ

এআইভিত্তিক নির্বাচনী প্রচারের কৌশল নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পারিশ্রমিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হলো ‘এআই রেকমেন্ডেশন শেয়ার’। অর্থাৎ, কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এআই চ্যাটবট কতবার নির্দিষ্ট প্রার্থীকে উত্তরে তুলে ধরে বা সুপারিশ করে।

ভিজিজেন্টের ওয়েবসাইটে মাসে ১৩৪ ডলার থেকে শুরু করে বড় গ্রাহকদের জন্য মাসিক ৯ হাজার ডলার পর্যন্ত বিভিন্ন সফটওয়্যার ও সেবার মূল্য উল্লেখ রয়েছে। বড় গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সম্পাদকীয় পরিকল্পনা, কনটেন্ট তৈরি ও উন্নয়নসংক্রান্ত সেবাও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

রাজনৈতিক প্রচারের ক্ষেত্রে হাওয়েল জানান, তাঁদের সেবার মাসিক ফি ৫ হাজার ডলার থেকে শুরু হয়। তবে অর্থের বিনিময়ে প্রচারসামগ্রী প্রকাশ, বিজ্ঞাপন পরিচালনা, অর্থের বিনিময়ে প্রচারক বা ইনফ্লুয়েন্সারদের সঙ্গে যোগাযোগসহ অন্যান্য সেবা যুক্ত হলে খরচ মাসে ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে এলে এই খরচ আরও বাড়বে বলে মনে করেন হাওয়েল। উপস্থাপনাটিতে কোনো নির্দিষ্ট নীতিগত বিষয়ে প্রার্থীকে শীর্ষ সুপারিশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সাফল্যের জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ ডলার পর্যন্ত সাফল্যভিত্তিক পারিশ্রমিকের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

প্রগতিশীল ধারার প্রার্থীদের জন্য কাজ করা ক্যাম্পসাইটও এ ধরনের সেবা দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি রান ফর সামথিং অ্যাকশন ফান্ডের পরিচালনায় কাজ করে এবং স্কুল বোর্ড থেকে শুরু করে অঙ্গরাজ্যের আইনসভা পর্যন্ত বিভিন্ন নির্বাচনে তরুণ প্রার্থীদের সহায়তা করেছে।

ক্যাম্পসাইটের সেবার জন্য প্রচারশিবিরগুলোকে মাসে ৯ থেকে ২৫০ ডলার পর্যন্ত দিতে হয়। এর বিনিময়ে বড় ভাষা মডেলগুলো সংশ্লিষ্ট প্রার্থী সম্পর্কে কী বলছে, সে বিষয়ে তথ্য এবং এআইয়ের উত্তরে প্রভাব বিস্তারের কৌশল দেওয়া হয়। অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নির্বাচনী প্রচারের জন্য মূল্য আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয় এবং এতে একজন নির্দিষ্ট কৌশলবিদের সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত থাকে।

রান ফর সামথিংয়ের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা জর্ডান হেইনস রয়টার্সকে বলেন, গত বছরের গ্রীষ্মে প্রকল্পটি শুরুর সময় তাঁদের প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন প্রার্থী সম্পর্কে এআইয়ের উত্তর পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছিল। তখন দেখা যায়, রেডিটে প্রকাশিত কিছু বক্তব্য পরদিনই এআইয়ের উত্তরে উঠে আসছে।

তবে এ বছর তাঁরা যে ধরনের নেতিবাচক পরিস্থিতির আশঙ্কা করেছিলেন, তা এখনো বাস্তবে সেভাবে দেখা যায়নি বলে জানান হেইনস। তাঁর মতে, বড় ভাষা মডেলগুলো নির্ভরযোগ্য ও সঠিক তথ্যের সঙ্গে অবিশ্বস্ত তথ্যের পার্থক্য বুঝতে যথেষ্ট সক্ষমতা দেখিয়েছে।

রান ফর সামথিংয়ের প্রেসিডেন্ট আমান্ডা লিটম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছেন, ক্যাম্পসাইটের সেবা ব্যবহার করছে কয়েক ডজন নির্বাচনী প্রচারশিবির। এ ছাড়া ৩০০টির বেশি প্রার্থী ও সংগঠন সেবাটি পাওয়ার অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, এআই চ্যাটবট এখন শুধু তথ্য জানার মাধ্যম নয়, রাজনৈতিক প্রচারেরও নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। অনলাইনে কোন তথ্য কতটা দৃশ্যমান হবে এবং এআইয়ের উত্তরে কোন প্রার্থী কীভাবে উপস্থাপিত হবেন, তা প্রভাবিত করতে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন কৌশল তৈরি করছে। এতে নির্বাচনী প্রচারের ধরন বদলানোর পাশাপাশি তথ্যের নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও ভোটারদের সঠিক তথ্য পাওয়ার অধিকার নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।

সূত্রঃ রয়টার্স

এই শাখার আরও খবর

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের হুমকিতে অস্বস্তিতে অস্ট্রেলিয়ার লেবার পার্টি, চাপে প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর হুমকি অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের জন্য রাজনৈতিক অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া, জ্বালানির…

দিল্লিতে হঠাৎ এনএসআই মহাপরিচালক, আলোচনায় শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন

বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবু মোহাম্মদ সারওয়ার ফরিদের দিল্লি সফরকে ঘিরে বাংলাদেশ-ভারত নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য…

সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে সরকার অনুমতি দিলে এবং প্রয়োজন হলে পুলিশ ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও কমিউনিটি…

নভেম্বরে ঢাকায় ইজতেমা, পাকিস্তান থেকে আসছেন শীর্ষ ধর্মীয় নেতারা

পাকিস্তানভিত্তিক আন্তর্জাতিক ইসলামি সংগঠন দাওয়াতে ইসলামী আগামী ১৮ থেকে ২০ নভেম্বর ঢাকায় তিন দিনব্যাপী ‘সুন্নাহ-অনুপ্রাণিত ইজতেমা’ আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে উত্তরা সেন্টার মেট্রোরেল…

অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বাপার দুর্গাপূজার ২০ বছর

ওটিএন বাংলা, ক্যানবেরা: দেবীর আরাধনা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আর প্রজন্মের মেলবন্ধনে দুর্গাপূজা আয়োজনের দুই দশক উদ্‌যাপন করল বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া পূজা অ্যাসোসিয়েশন—বাপা। ১৬ থেকে ১৮ অক্টোবর ক্যানবেরায়…

লুলার জয়ের স্বীকৃতি দিতে নারাজ বলসোনারোর ছেলে, ব্রাজিলে ফের রাজনৈতিক সংকটের শঙ্কা

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বামপন্থী নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ঐতিহাসিক চতুর্থ মেয়াদে জয়ী হওয়ার পরও পরাজয় মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ডানপন্থী সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো।…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au