সামাজিক মাধ্যমে হয়রানি, আইনি পদক্ষেপ নিলেন বিজয়-রাশমিকা
দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গুজব, মিথ্যা তথ্য ও হয়রানির অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।…
গাইবান্ধা কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের প্রাঙ্গণে শহীদ মিনারের একটি অংশ হাতুড়ি দিয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষক মোহাম্মদ আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ফেসবুক লাইভে শহীদ মিনারে উঠে অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়া ও লাথি মারার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে।
কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. মাহবুবার রহমান জানান, গত ১৮ অক্টোবর মোহাম্মদ আহসান হাবীব ফেসবুক লাইভে এসে শহীদ মিনারে উঠে অবমাননাকর বক্তব্য দেন এবং তাতে লাথি মারেন। এ ঘটনার ভিডিও তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে রয়েছে বলে দাবি করেন অধ্যক্ষ।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় দাপ্তরিক পরামর্শ অনুযায়ী অভিযোগপত্র পাঠানোর পাশাপাশি গাইবান্ধা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। তবে সংবাদে জিডি করার তারিখ হিসেবে ১৯ আগস্ট উল্লেখ করা হয়েছে, যা ঘটনার তারিখের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।
অধ্যক্ষ মো. মাহবুবার রহমান বলেন, রোববার থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। এর পরদিন সোমবার সকালে অভিযুক্ত প্রশিক্ষক আরও উগ্র আচরণ করেন এবং ইনস্টিটিউটের শহীদ মিনারের মাঝের একটি স্তম্ভের নিচের বেশ কিছু টাইলস ভেঙে ফেলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পরিচালক ও প্রশিক্ষণ শাখার পরিচালককে জানানো হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান অধ্যক্ষ।
এদিকে, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত প্রশিক্ষক মোহাম্মদ আহসান হাবীবের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর ব্যক্তিগত মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর প্রতীক। তাই এ ধরনের ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au