ঢাকায় রাতভর ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্কে নগরবাসী
ওটিএন বাংলা রিপোর্ট : রাজধানী ঢাকায় এক রাতেই অন্তত পাঁচটি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত খিলগাঁও, আদাবর,…
ঢাকার উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় মাসের পর মাস ধরে লাইভ ভিডিও ধারণ করছেন একদল চীনা নাগরিক। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রাস্তাঘাট, দোকানপাট, আবাসিক এলাকা এমনকি মানুষের বাড়ির ভেতরেও ঢুকে ভিডিও করছেন তাঁরা। প্রত্যেকের হাতে একাধিক মুঠোফোন, যার একটিতে চলে সরাসরি সম্প্রচার, অন্যটিতে থাকে বিভিন্ন তথ্য বা লেখা। তাঁদের এই কর্মকাণ্ডে প্রথম দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কৌতূহল থাকলেও সময়ের সঙ্গে বাড়ছে বিরক্তি ও উদ্বেগ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টর ও আশপাশের টেকপাড়া এলাকায় দেড় শতাধিক চীনা নাগরিক এভাবে ভিডিও ধারণ করছেন। তবে তাঁদের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এসব ভিডিও কোথায় প্রকাশ করা হচ্ছে, কী উদ্দেশ্যে ধারণ করা হচ্ছে কিংবা ভিডিওতে কী ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে স্থানীয়দের স্পষ্ট ধারণা নেই। ভিডিও ধারণের সময় চীনা ভাষায় কথা বলায় তাঁদের বক্তব্যও বুঝতে পারেন না এলাকাবাসী।
উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া একটি খালের পাড়ে টেকপাড়া এলাকার অবস্থান। উত্তরার অন্যান্য এলাকার তুলনায় এটি অপেক্ষাকৃত অনুন্নত ও নিম্ন আয়ের মানুষের বসতিপূর্ণ এলাকা। ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকার সরু গলি, দোকানপাট, বাড়িঘর ও মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনই চীনা নাগরিকদের ভিডিওর বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, একই এলাকায় দিনে একাধিকবার ভিডিও ধারণ করেন তাঁরা। কখনো রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে, কখনো চায়ের দোকানে, আবার কখনো আবাসিক এলাকার ভেতরে প্রবেশ করে লাইভ করেন। ভিডিও ধারণের সময় তাঁদের হাতে দুটি মুঠোফোন দেখা যায়। একটি দিয়ে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়, অন্যটিতে লেখা বা তথ্য দেখে কথা বলেন তাঁরা।
টেকপাড়া এলাকার বাসিন্দা আকরাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘দু-এক দিনের ব্যাপার হলে হয়, কিন্তু এরা (চীনা নাগরিক) মাসের পর মাস এমন ভিডিও করে। আমরা ঘুম থেকে ওঠার আগে তারা ভিডিও করা শুরু করে। ঘুমাতে যাওয়ার সময়ও দেখি তারা ভিডিও করে। কিন্তু ভিডিওগুলো কী করে, আমরা জানি না।’
স্থানীয়দের ভাষ্য, উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় চীনা নাগরিকদের এমন ভিডিও করতে দেখা গেলেও টেকপাড়া এলাকায় তাঁদের উপস্থিতি বেশি। এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাপন, ঘরবাড়ি ও মানুষের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড কেন এভাবে ধারণ করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। নতুন কেউ এলাকায় এলে তাঁরাও বিষয়টি দেখে অবাক হন এবং ভিডিও ধারণের কারণ জানতে চান।
উইচ্যাট ও ডুয়িনে ভিডিও প্রকাশের দাবি
গত ২৭ অক্টোবর ও ৩ নভেম্বর উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি ১৭ জন চীনা নাগরিকের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে প্রথম আলো। তাঁদের ভিডিও ধারণের উদ্দেশ্য, ভিডিও কোথায় প্রকাশ করা হয় এবং কেন উত্তরার এই এলাকাকে বেছে নেওয়া হয়েছে, তা জানার চেষ্টা করা হয়। তবে বেশির ভাগ চীনা নাগরিক কথা বলতে আগ্রহ দেখাননি। কেউ কেউ শুধু নিজের নাম ও দেশের পরিচয় দিয়ে চলে যান। কয়েকজন ইংরেজি না জানার কথা বলে কথা এড়িয়ে যান। গুগল ট্রান্সলেটরের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁদের বেশির ভাগের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
গত ২৭ অক্টোবর বিকেলে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরে ভিডিও ধারণরত কয়েকজন চীনা নাগরিকের সঙ্গে কথা বলার সময় রিতু আক্তার নামের এক বাংলাদেশি নারীর দেখা পাওয়া যায়। তিনি জানান, চীনা নাগরিকদের গাইড হিসেবে কাজ করেন। কয়েক মাস ধরে তিনি তাঁদের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তাঁর মতো আরও কয়েকজন বাংলাদেশি নারী চীনা নাগরিকদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন বলেও জানান তিনি।
চীনা নাগরিকেরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভিডিও ধারণ করে কোথায় প্রকাশ করেন, জানতে চাইলে রিতু আক্তার ফ্যাংইয়ো নামের এক চীনা নাগরিককে ডেকে আনেন। তাঁর সঙ্গে চীনা ভাষায় কথা বলে প্রতিবেদকের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি বোঝানোর পর ফ্যাংইয়োর মুঠোফোনে গুগল ট্রান্সলেটরের মাধ্যমে কথা হয়।
ফ্যাংইয়ো জানান, পণ্যের প্রচারণার অংশ হিসেবে তাঁরা চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইচ্যাটে এসব লাইভ ভিডিও করেন। তবে কেন উত্তরার এই এলাকাকে ভিডিও ধারণের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে এবং কেন এত দীর্ঘ সময় ধরে একই ধরনের ভিডিও করা হচ্ছে, জানতে চাইলে তিনি আর কথা বলতে চাননি। একপর্যায়ে রিতু আক্তারকেও ধমক দিয়ে ডেকে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
রিতু আক্তার জানান, চীনা নাগরিকদের গাইড হিসেবে কাজ করার বিনিময়ে তিনি দিনে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পান। তাঁর দাবি, চীনা নাগরিকেরা উইচ্যাট, ডুয়িনসহ বিভিন্ন চীনা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসব ভিডিও প্রকাশ করেন এবং সেখান থেকে আয় করেন। বাংলাদেশের নিম্ন আয়ের মানুষের বসবাস এমন এলাকাগুলোর প্রতি তাঁদের আগ্রহ বেশি বলেও জানান তিনি।
লাইভে উত্তরাকে বলা হচ্ছে ভারতের নয়াদিল্লি
ভিডিওগুলো কীভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। চীনা নাগরিকেরা লাইভ ভিডিওতে চীনা ভাষায় কথা বলেন। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের বক্তব্য বুঝতে পারেন না। তবে ভিডিওর দৃশ্য ও কথাবার্তার ধরন দেখে বোঝা যায়, তাঁরা আশপাশের পরিবেশ এবং মানুষের জীবনযাপন নিয়ে বর্ণনা দিচ্ছেন।
লাইভ ভিডিওতে কয়েকজন চীনা নাগরিকের বক্তব্য গুগল ট্রান্সলেটরের মাধ্যমে অনুবাদ করা হয়। পরে চীনা ভাষা জানেন, এমন চারজন বাংলাদেশির মাধ্যমে অনুবাদের বক্তব্য যাচাই করা হয়। এতে দেখা যায়, উত্তরার বিভিন্ন এলাকা থেকে ভিডিও ধারণ করলেও কয়েকজন চীনা নাগরিক লাইভে নিজেদের ভারতের নয়াদিল্লি থেকে যুক্ত হয়েছেন বলে পরিচয় দিচ্ছেন। কেউ কেউ বাংলাদেশের মানুষকে দরিদ্র হিসেবে উপস্থাপন করছেন এবং তাঁদের বসবাসের পরিবেশকে নোংরা ও স্যাঁতসেঁতে বলে বর্ণনা করছেন। আবার কোনো কোনো ভিডিওতে বাংলাদেশি পুরুষদের অর্থ ব্যবহারের ধরন নিয়েও নেতিবাচক মন্তব্য করতে শোনা যায়।
নারী চীনা নাগরিকদের কেউ কেউ লাইভে নিজেদের ভারতে বিয়ে হওয়ার কারণে সেখানে স্বামী-সংসার নিয়ে বসবাস করছেন বলে পরিচয় দিচ্ছেন। ফলে ভিডিওর স্থান, বক্তব্য ও উপস্থাপনার মধ্যে অসংগতি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১ নভেম্বর উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের খালপাড়ে দাঁড়িয়ে টেকপাড়া এলাকার দৃশ্য দেখিয়ে লাইভ করছিলেন মিয়ানমিয়ান নামের এক চীনা নারী। তিনি নিজেকে চীনের সিচুয়ান প্রদেশের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দেন। লাইভে তাঁকে উত্তরার টেকপাড়া এলাকাকে ভারতের নয়াদিল্লি হিসেবে উল্লেখ করতে শোনা যায়। এ সময় তিনি এলাকার ঘরবাড়ি ও মানুষের জীবনযাপন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেন।
মিয়ানমিয়ানকে বলতে শোনা যায়, এলাকার ঘরবাড়ি নোংরা, টিনের ঘরের ভেতরে ফ্যান পর্যন্ত নেই। জায়গাটি অনুন্নত ও অপরিচ্ছন্ন এবং সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও খারাপ। একপর্যায়ে তিনি স্থানীয় মানুষের শৌচাগার ব্যবহারের ধরন নিয়েও বর্ণনা দিতে থাকেন।
টেকপাড়ার একটি ছোট সেতুর দুই পাশে কয়েকটি চায়ের দোকান রয়েছে। এসব দোকানে ভিডিও ধারণ করছিলেন ওয়াং ওয়েই নামের আরেক চীনা নাগরিক। লাইভে তাঁকে চায়ের দোকানে বসে থাকা মানুষদের নিয়ে মন্তব্য করতে শোনা যায়। তিনি চা সম্পর্কে বলতে গিয়ে দাবি করেন, স্থানীয় মানুষ গোমূত্রের চা পান করেন। অন্য একটি দোকানের সামনে গিয়ে তিনি বলেন, চা তৈরি করা হয় নদীর নোংরা পানি দিয়ে। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষের জীবনযাপনকে নোংরা বলে বর্ণনা করেন তিনি।
তবে সব ভিডিওতে বাংলাদেশের পরিবেশ ও মানুষের জীবনযাপন নিয়ে নেতিবাচক বক্তব্য দেওয়া হয় না। লি ইয়াং নামের এক চীনা নাগরিককে উত্তরার বিভিন্ন ভবনে থাকা শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র দেখিয়ে কথা বলতে শোনা যায়। তিনি বলেন, স্থানীয় মানুষ এসি ব্যবহার করেন এবং এর বেশির ভাগই চীনা পণ্য। চীনা পণ্যের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় বাংলাদেশের মানুষ সেগুলো ব্যবহার করেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ভিডিওতে এসির ব্র্যান্ড শনাক্ত করতে পারলে পুরস্কার দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।
বাড়িতে ঢুকে ভিডিও, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, চীনা নাগরিকেরা শুধু রাস্তাঘাট বা দোকানপাটেই ভিডিও করেন না, অনেক সময় আবাসিক এলাকার ভেতরে প্রবেশ করে বাড়িঘরের দৃশ্যও ধারণ করেন। কখনো অনুমতি ছাড়াই ঘরের মধ্যে ঢুকে ভিডিও শুরু করেন তাঁরা। এতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
টেকপাড়ার বাসিন্দা রোজিনা খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, চীনা নাগরিকেরা মাঝেমধ্যে ঘরের মধ্যে ঢুকে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। তাঁর ভাষ্য, বাসায় সব সময় মানুষ পরিপাটি অবস্থায় থাকেন না। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ কেউ ঘরে ঢুকে ভিডিও করতে শুরু করলে তা বিব্রতকর।
আরেক বাসিন্দা পাপিয়া বেগম বলেন, ভিডিও করতে করতে কেউ কেউ বাথরুমেও ঢুকে পড়েন। তাঁদের কিছু বললে ভাষা বুঝতে না পেরে হাসেন, দুঃখ প্রকাশ করে চলে যান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর আবার ফিরে আসেন। এভাবে সারা দিন তাঁদের ভিডিও ধারণ চলতে থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
বাসিন্দাদের ভাষ্য, শুরুতে বিষয়টি তাঁদের কাছে কৌতূহলের ছিল। বিদেশি নাগরিকেরা কেন এলাকার অলিগলিতে ঘুরে ভিডিও করছেন, তা জানার আগ্রহ ছিল। কিন্তু দিনের পর দিন একই ঘটনা ঘটতে থাকায় এখন তাঁরা বিরক্ত। বিশেষ করে অনুমতি ছাড়া বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে ভিডিও ধারণের অভিযোগ তাঁদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
পুলিশের নজরদারি ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
চীনা নাগরিকদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হলেও তাঁদের কার্যক্রম সম্পর্কে পুলিশের নিয়মিত নজরদারি আছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। থানা-পুলিশের ভাষ্য, উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় চীনা নাগরিকদের ভিডিও ধারণ করতে দেখা যায়। তবে তাঁরা কী উদ্দেশ্যে ভিডিও করেন কিংবা কোথায় প্রকাশ করেন, সে বিষয়ে পুলিশের কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মনসুর প্রথম আলোকে বলেন, ‘তারা কেন ভিডিও করে, সেটা আসলে আমি জানি না। ভিডিওগুলো কোথায় পাবলিশ করে, সেটাও জানি না। তবে তারা যে ভিডিও করে, সেটা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছি। এটা নিয়ে কাজ চলছে।’
চীনা নাগরিকদের ভিডিও ধারণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পুলিশের কাছে বিস্তারিত তথ্য না থাকলেও বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত বাসাবাড়িতে প্রবেশ এবং মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরে ভিডিও ধারণের ঘটনা বন্ধে এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ তাঁরা দেখেননি।
সব মিলিয়ে উত্তরার টেকপাড়ায় চীনা নাগরিকদের দীর্ঘ সময় ধরে ভিডিও ধারণের বিষয়টি এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের কৌতূহল ছাড়িয়ে অস্বস্তি ও উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। পণ্যের প্রচারণার জন্য ভিডিও করা হচ্ছে বলে একজন চীনা নাগরিক ও তাঁদের বাংলাদেশি গাইড দাবি করলেও ভিডিওতে এলাকার পরিচয়, মানুষের জীবনযাপন এবং পরিবেশ নিয়ে যেসব বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের একটি এলাকাকে ভারতের নয়াদিল্লি হিসেবে উপস্থাপন এবং স্থানীয় মানুষকে অবমাননাকরভাবে বর্ণনা করার অভিযোগ বিষয়টিকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলেছে। একই সঙ্গে অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত বাড়িতে প্রবেশ করে ভিডিও ধারণের অভিযোগের বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সূত্রঃ প্রথম আলো
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au