অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশের পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন, নৈতিকভাবে পোশাক কেনার আহ্বান অস্ট্রেলিয়ায়

  • 1:09 pm - November 07, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২৯ বার
গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে তিন মামলা, আসামি প্রায় ৪ হাজার। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে পোশাকশ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও উন্নত কর্মপরিবেশের দাবিতে আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ডগুলোর সরবরাহব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বৈশ্বিক পোশাকশিল্পের সরবরাহব্যবস্থায় শ্রমিকদের শোষণের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর কম দামে পণ্য উৎপাদনের চাপের বড় অংশ শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ে কারখানার শ্রমিকদের ওপর। এ পরিস্থিতিতে পোশাক কেনার ক্ষেত্রে পণ্যের দাম ও নকশার পাশাপাশি উৎপাদনপ্রক্রিয়া কতটা নৈতিক এবং শ্রমিকদের অধিকার কতটা সুরক্ষিত, তা বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রেতাদের প্রতি।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে পোশাকশ্রমিকদের সাম্প্রতিক আন্দোলন মূলত দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, কম মজুরি এবং কর্মপরিবেশ নিয়ে অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে উৎপাদনশিল্পের সবচেয়ে নিচের স্তরে থাকা শ্রমিকেরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। এই শিল্পের মাধ্যমে এইচঅ্যান্ডএম, জারা ও গ্যাপের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের জন্য পোশাক তৈরি হয়। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। ফলে শ্রমিকদের মজুরি ও কর্মপরিবেশের প্রশ্নটি শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত জীবিকার সঙ্গে নয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত।

মজুরি ও কর্মপরিবেশের দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দিন ধরে হাজার হাজার পোশাকশ্রমিক বিক্ষোভ করেছেন। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে মজুরি বৃদ্ধি, উন্নত কর্মপরিবেশ এবং শ্রমিক অধিকার নিশ্চিত করা।

আন্দোলনের সময় বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশ সদস্যসহ কয়েক ডজন মানুষ আহত হন। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। আন্দোলনের কারণে শত শত পোশাক কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেল স্টেশন। ছবি : সংগৃহীত

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং শ্রমিকদের মজুরি–সংক্রান্ত দাবি পর্যালোচনার জন্য সরকার একটি মজুরি বোর্ড গঠন করে। বোর্ডটি পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সিদ্ধান্তের বিস্তারিত ঘোষণা ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।

এদিকে, মজুরি বাড়ানোর বিষয়ে সমঝোতার খবর এলেও অনেক শ্রমিক এখনো জানেন না, তাঁদের বেতন কতটা বাড়বে কিংবা নতুন সিদ্ধান্তের ফলে তাঁদের জীবনে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে।

নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্ট্রেলিয়ান হিউম্যান রাইটস ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক জাস্টিন নোলান মনে করেন, শ্রমিকদের সাম্প্রতিক আন্দোলন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং বছরের পর বছর ধরে শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘন এবং কর্মপরিবেশের অবনতির কারণে এই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে কর্মপরিবেশের মান এবং মজুরি কাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গুরুতর সমস্যা রয়েছে।

অধ্যাপক নোলানের ভাষায়, ছয়–সাত বছর পর শ্রমিকেরা আবারও চরম হতাশার জায়গায় পৌঁছেছেন। তাঁরা কার্যত বলছেন, তাঁদের পরিবার চালানোর মতো অর্থ নেই, খাবার জোগাড় করতে পারছেন না। এই পরিস্থিতির দিকে সংশ্লিষ্ট সবার নজর দেওয়া প্রয়োজন।

২০১৯ সালেও বাংলাদেশে পোশাকশ্রমিকদের একই ধরনের আন্দোলনের সময় একজন শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন। ফলে মজুরি ও শ্রমিক অধিকারের প্রশ্নটি বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে দীর্ঘদিনের একটি সংকট হিসেবে রয়ে গেছে।

বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় শ্রমিক শোষণের অভিযোগ

বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের সংকটের পেছনে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার কাঠামোগত সমস্যাকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা।

অধ্যাপক জাস্টিন নোলানের মতে, আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ডগুলো সাধারণত বিভিন্ন দেশের কারখানার মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন করায় পুরো সরবরাহব্যবস্থার ওপর তাদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকে না। অনেক ক্ষেত্রে একটি কারখানা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাছ থেকে পোশাক তৈরির অর্ডার পাওয়ার পর সেই কাজের একটি অংশ অন্য ১০টি কারখানায় ভাগ করে দিতে পারে।

এ ধরনের চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন এবং উপঠিকাদারি ব্যবস্থার কারণে মূল ব্র্যান্ডের পক্ষে পণ্য তৈরির প্রতিটি ধাপ পর্যবেক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

তাঁর মতে, উৎপাদন ব্যয় কমানোর চাপ এবং সীমিত মুনাফার হিসাবের কারণে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো অনেক সময় শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে চায় না।

এই চাপের সবচেয়ে বড় অংশ গিয়ে পড়ে সরবরাহব্যবস্থার একেবারে নিচের স্তরে থাকা শ্রমিকদের ওপর। উৎপাদন ব্যয় কমাতে গিয়ে তাঁদের মজুরি কম রাখা, অতিরিক্ত কাজের যথাযথ পারিশ্রমিক না দেওয়া এবং জীবনধারণের উপযোগী বেতন নিশ্চিত না করার মতো সমস্যা তৈরি হয়।

অধ্যাপক নোলানের মতে, বৈশ্বিক পোশাকশিল্পের এই ব্যবস্থায় শ্রমিকেরা সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে থাকেন। অথচ আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর পণ্যের উৎপাদনব্যবস্থায় তাঁদের শ্রমই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কম দামের পোশাক কেনার আড়ালে কার ক্ষতি?

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠান এথিক্যাল ক্লোদিং অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় ব্যবস্থাপক অ্যারন গোল্ডম্যান মনে করেন, পোশাক কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, কোনো পোশাক দোকানে অস্বাভাবিক কম দামে পাওয়া গেলে ক্রেতাদের বিষয়টি নিয়ে সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ পণ্যের দাম কম রাখার জন্য উৎপাদনব্যবস্থার অন্য কোথাও কাউকে না কাউকে সেই মূল্য দিতে হয়। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেই মূল্য দিতে হয় শ্রমিকদের।

গোল্ডম্যান বলেন, কোনো পণ্য সস্তা দামে বিক্রি হলে তার পেছনে শ্রমিকদের অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে কি না, তা বিবেচনা করা জরুরি। বিশেষ করে যেসব শ্রমিক অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে দুর্বল অবস্থানে রয়েছেন, তাঁরাই শোষণের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকেরা তাঁদের আন্দোলনে রাজনৈতিক উসকানি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নাকচ করেছেন। ছবি: সংগৃহীত

তাঁর মতে, ভোক্তাদের শুধু পণ্যের দাম, ব্র্যান্ড কিংবা মানের দিকে নজর দিলেই চলবে না। পণ্যটি কোথায় তৈরি হয়েছে, উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকেরা ন্যায্য পারিশ্রমিক পেয়েছেন কি না এবং তাঁদের কর্মপরিবেশ কেমন, সেসব বিষয়ও জানতে হবে।

অস্ট্রেলিয়াতেও পোশাকশ্রমিক শোষণের অভিযোগ

শ্রমিক শোষণের সমস্যা শুধু বাংলাদেশ বা উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অস্ট্রেলিয়ার পোশাকশিল্পেও শ্রমিকদের কম মজুরি দেওয়া, যথাযথ নিয়োগচুক্তি না করা এবং অন্যান্য শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যারন গোল্ডম্যান।

তিনি জানান, সর্বশেষ অর্থবছরে শ্রমিকদের বেতন কম দেওয়া, যথাযথ নিয়োগচুক্তি না করা, ভুল ধরনের চুক্তি ব্যবহার করা এবং অবসরকালীন তহবিলে নির্ধারিত অর্থ জমা না দেওয়ার মতো অনিয়মের কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় ৯ লাখ ২৬ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে তাঁর আশঙ্কা, অস্ট্রেলিয়ায় শ্রমিক শোষণের প্রকৃত চিত্র এর চেয়েও অনেক বড় হতে পারে।

গোল্ডম্যান বলেন, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় আধুনিক দাসত্ববিরোধী আইন বা মডার্ন স্লেভারি অ্যাক্ট চালুর পর স্থানীয় পোশাকশিল্পে শ্রমিক শোষণের বিভিন্ন অনিরাপদ ও অনিশ্চিত কর্মপদ্ধতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

বিশেষ করে বাড়িতে বসে পোশাক তৈরির কাজ করেন এমন শ্রমিকেরা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। তাঁদের একটি বড় অংশ অভিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। অনেকেই নিজেদের শ্রমিক অধিকার সম্পর্কে জানেন না। আবার চাকরি হারানো কিংবা অন্য কোনো সমস্যার ভয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলতেও সাহস পান না।

কীভাবে নৈতিকভাবে উৎপাদিত পোশাক চিনবেন?

ক্রেতারা কীভাবে নৈতিক উৎপাদনব্যবস্থার মাধ্যমে তৈরি পোশাক শনাক্ত করতে পারেন, সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন অ্যারন গোল্ডম্যান।

তিনি জানান, তাঁর প্রতিষ্ঠান পোশাক উৎপাদনকারী ও বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সরবরাহব্যবস্থা যাচাই করে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠান নৈতিক উৎপাদনব্যবস্থা অনুসরণ করছে কি না, তা যাচাই করা হয়।

এই স্বীকৃতির আওতায় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকেরা যথাযথ মজুরি পাচ্ছেন কি না, তাঁদের প্রাপ্য অবসরকালীন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কি না, কর্মঘণ্টা ও অন্যান্য শ্রমিক অধিকার মানা হচ্ছে কি না এবং তাঁরা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছেন কি না, সেসব বিষয় পরীক্ষা করা হয়।

গোল্ডম্যানের মতে, যেসব ক্রেতা তাঁদের কেনাকাটার মাধ্যমে শ্রমিক অধিকার সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে চান, তাঁদের এমন ব্র্যান্ড বেছে নেওয়া উচিত, যাদের উৎপাদনব্যবস্থা স্বচ্ছ এবং নৈতিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে যাচাই করা হয়েছে।

ব্র্যান্ডগুলোর কাছে প্রশ্ন করার আহ্বান

অধ্যাপক জাস্টিন নোলান মনে করেন, ভোক্তারা চাইলে আন্তর্জাতিক পোশাকশিল্পের সরবরাহব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারেন। এ জন্য পোশাক কেনার সময় ব্র্যান্ডগুলোর কাছে কিছু মৌলিক প্রশ্ন করা প্রয়োজন।

পণ্যটি কোন দেশে তৈরি হয়েছে, যে কারখানায় উৎপাদন করা হয়েছে সেটি কোথায় অবস্থিত, শ্রমিকেরা যথাযথ মজুরি পাচ্ছেন কি না এবং মূল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বাইরেও উপঠিকাদারদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে কি না, এসব বিষয়ে জানতে হবে।

তাঁর মতে, ক্রেতারা যত বেশি এসব প্রশ্ন করবেন, ব্র্যান্ডগুলো তত বেশি নিজেদের উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থার বিস্তারিত তথ্য যাচাই করতে বাধ্য হবে। এর ফলে সরবরাহকারীদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হতে পারে।

অধ্যাপক নোলানের বক্তব্য, ভোক্তাদের সচেতনতা শুধু কেনাকাটার অভ্যাস পরিবর্তন করবে না, বরং আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোকে তাদের উৎপাদনব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও চাপের মুখে রাখবে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি খাত। এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল লাখো শ্রমিকের জীবন ও জীবিকা। ফলে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলোর দায়িত্ব শুধু কম দামে পোশাক সংগ্রহ বা বিক্রি করা নয়, বরং উৎপাদনের প্রতিটি পর্যায়ে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাও। আর সেই প্রক্রিয়ায় ক্রেতাদের সচেতন সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সূত্রঃ এবিসি নিউজ

এই শাখার আরও খবর

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙল এনসিপি নেতারা

ওটিএন বাংলা ডেস্ক :  ভাষাসৈনিক ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের কুমিল্লার ঐতিহাসিক বাসভবনের সামনে স্থাপিত সাইনবোর্ড ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।…

৭ নভেম্বর: সংহতির আড়ালে বিভাজন

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষ শুধু একটি ভূখণ্ডের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেনি। সেই সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত ছিল বাঙালির রাজনৈতিক অধিকার, ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা, অর্থনৈতিক মুক্তি…

আওয়ামী লীগের দখলে ঢাকার রাজপথ

ভাস্কর দত্ত : রাজধানীর রাজপথে প্রকাশ্যে মিছিল-সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। কখনো ঝটিকা মিছিল, কখনো মশাল মিছিল,…

শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণা ঘিরে উত্তাল ঢাকা, আওয়ামী লীগ কি তাহলে ফিরছে?

ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তাঁর এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা…

আদাবর থানার পাশে দুই হাতবোমা বিস্ফোরণ

রাজধানীর ঢাকার আদাবর থানার পাশে দুটি হাতবোমা বা ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ৯টা ৫ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলে করে আসা দুই ব্যক্তি…

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যের হাত-পা ভেঙে কেটে দেওয়া হলো রগ

ওটিএন বাংলা ডেস্ক :  নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় আবুল কালাম নামে এক পুলিশ সদস্যের ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁকে নির্জন বিলে ডেকে…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au