ভারতের আহমেদাবাদের কাছে এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনায় ২৪০–২৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার ঘটনায় তদন্তকারীরা ধারণা করছেন, বিমানের দুটি ইঞ্জিন একসাথে বিকল হয়ে গিয়েছিল। যা একেবারেই বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
১২ জুনের এই দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত ছিলেন ভিশ্বাস রমেশ নামের এক যাত্রী। ঘটনার সময় বিমানটির জরুরি রাম-এয়ার টারবাইন চালু হয়েছিল, যা সাধারণত বাইরের বিদ্যুৎ না থাকলে চালু হয়। বিশেষ ফ্লাইট সিমুলেশনেও দেখা গেছে, শুধু ল্যান্ডিং গিয়ার বা ফ্ল্যাপের সমস্যার কারণে এ রকম বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার কথা নয়; ইঞ্জিন বিকল না হলে বিমান আকাশেই থাকতে পারত।
তদন্তকারীরা এখন সম্ভাব্য কারণ হিসেবে প্রযুক্তিগত ত্রুটি, জ্বালানির দূষণ বা অন্য কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি খতিয়ে দেখছেন। তবে পাখির আঘাতের (বার্ড স্ট্রাইক) সম্ভাবনা ইতিমধ্যেই বাতিল করা হয়েছে।
বিমানের ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ভারতের এয়ার অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB)–এর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের তদন্ত সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় তদন্ত চলছে। প্রাথমিক প্রতিবেদন শিগগিরই প্রকাশের কথা রয়েছে।
এটি ছিল বোয়িং ড্রিমলাইনার মডেলের প্রথম প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা, যা নিয়ে বিমান চলাচল ও যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তথ্য্যসুত্রঃ The Sydney Morning Herald (SMH)