‘ইরান তেল বিক্রি করতে না পারলে কেউ পারবে না’
মেলবোর্ন, ২৩ জুলাই: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন সামরিক হুমকির জবাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন,…
মেলবোর্ন, ১৩ আগষ্ট- বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, শাসনব্যবস্থায় পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়েছে, তবে কিছু বিষয়ে এখনও উদ্বেগ রয়ে গেছে।
বিশ্বব্যাপী ২০২৪ সালের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এবং পুলিশ ও আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে সংঘর্ষে শত শত মানুষ নিহত হওয়ার পর গত বছরের ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করেন। পরে ৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতি শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন। আগস্টের ঘটনাবলির পর দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়, যদিও বেশ কিছু ক্ষেত্রে উদ্বেগের জায়গা রয়ে গেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আগের সরকারের সময়ে নির্বিচারে বা বেআইনি হত্যাকাণ্ড, গুম, নির্যাতন, অমানবিক আচরণ, নির্বিচারে গ্রেপ্তার বা আটক, বিদেশে থাকা সমালোচকদের হয়রানি, মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর গুরুতর বিধিনিষেধ, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও হুমকি, অযৌক্তিক গ্রেপ্তার ও বিচার, সেন্সরশিপ, শ্রমিক সংগঠনের স্বাধীনতায় বাধা, শ্রম অধিকার কর্মী বা ইউনিয়ন সদস্যদের ওপর সহিংসতা এবং শিশুশ্রমের গুরুতর উপস্থিতি—এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। জুলাই ও আগস্টে সাবেক ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা ঘটনার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণও নথিভুক্ত হয়েছে। এসব বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার জাতিসংঘের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে এবং বিচারব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অপরাধীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগী হয়েছে।
বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ববর্তী সরকার বা তার এজেন্টরা নির্বিচারে বা বেআইনি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে বহু প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। তবে এসব ঘটনার সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি এবং স্বচ্ছ তদন্ত ব্যবস্থাও ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ ধরনের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে যেসব ঘটনায় অভিযোগ আনা হয়েছিল, সেসব ক্ষেত্রে দোষীদের সাধারণত প্রশাসনিক শাস্তি দেওয়া হতো, কিন্তু বর্তমানে অভিযুক্তদের বিচার কার্যক্রম চলছে বলে প্রতিবেদনে স্বস্তি প্রকাশ করা হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au