তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকালে বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি
মেলবোর্ন, ২৩ জুলাই: মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। জন্তর মন্তরে চলমান এই আন্দোলনে…
মেলবোর্ন, ২৩ আগষ্ট- “কাউকে দোষারোপ করছি না। পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনা বেরিয়ে আসুক”—এমন মন্তব্য করেছেন নিহত জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও কলামিস্ট বিভুরঞ্জন সরকারের (৭১) ছেলে ঋত সরকার ও তার ভাই চিররঞ্জন সরকার। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা, সে বিষয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাত পৌনে ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন তার ছেলে ও ভাই। এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের কলাগাছিয়া নৌপুলিশ গজারিয়ার মেঘনা নদীর চরবলাকী এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।
কলাগাছিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) সালেহ আহাম্মদ পাঠান জানান, শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় অনুমান ৭০-৭১ বছর বয়সী এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে রমনা থানা থেকে পাঠানো নিখোঁজ জিডির ছবির সঙ্গে মিলিয়ে শনাক্ত করা হয়।
এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে বিভুরঞ্জন সরকারের নিখোঁজের ঘটনায় রমনা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তার ছেলে ঋত সরকার। তিনি উল্লেখ করেন, বাবার অফিস ও সম্ভাব্য স্থানে খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বিভুরঞ্জন সরকার দৈনিক আজকের পত্রিকার জ্যেষ্ঠ সহকারী সম্পাদক ছিলেন। গত ১৬ আগস্ট থেকে তিনি সাত দিনের ছুটিতে ছিলেন। পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মোবাইল ফোন ও ট্যাব রেখে বের হন এবং আর ফেরেননি।
নিখোঁজ হওয়ার পর লাশ পাওয়ার দিন তার একটি লেখা একটি অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশ হয় ‘জীবনের শেষ লেখা’ শিরোনামে। সেখানে তিনি সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা, গণমাধ্যমের বর্তমান অবস্থা, পারিবারিক অসুবিধা, আর্থিক টানাপড়েন ও স্বাস্থ্যগত সমস্যার কথা তুলে ধরেছিলেন।
১৯৫৪ সালে জন্ম নেওয়া বিভুরঞ্জন সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করেন। পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে প্রায় অর্ধশতক কাজ করেছেন তিনি। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। মেয়ে একজন চিকিৎসক এবং ছেলে বুয়েট থেকে পাস করা প্রকৌশলী।
২০২১ সালের মার্চে তিনি দৈনিক আজকের পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন এবং ২০২২ সালের জুলাইয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী সম্পাদক পদে উন্নীত হন। তার মৃত্যুতে সহকর্মী ও সংবাদমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা শোক প্রকাশ করেছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au