পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি, মৃত্যু নিশ্চিত করতে কুপিয়ে হত্যা
পাবনার আটঘরিয়ায় আদম আলী (৬০) নামে এক বিএনপি নেতাকে গুলি করে এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার…
মেলবোর্ন, ২৮ আগষ্ট- মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘মঞ্চ ৭১’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় বাংলাদেশের রাজধানীতে অবস্থিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে। পরিস্থিতি বেগতিক হলে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জনসহ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাসহ কমপক্ষে ৯জনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যায়।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে। সকালে সেখানে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মী, শিক্ষক, আইনজীবী ও অন্যান্য পেশাজীবীদের নিয়ে ‘মঞ্চ ৭১’-এর ব্যানারে “আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান” শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল গণফোরামের সাবেক সভাপতি ড. কামাল হোসেনের।

পুলিশ হেফাজতে লতিফ সিদ্দিকী। ছবিঃ সংগৃহীত
সকাল ১০টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ অতিথিরা এর আগেই আসেন। খবর পেয়ে ‘জুলাই যোদ্ধা’ ব্যানারে আল আমিন রাসেলের নেতৃত্বে কিছু শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনতা অনুষ্ঠানস্থল ঘেরাও করে। তারা লতিফ সিদ্দিকী ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রবেশে বাধা দেয় এবং স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে স্থানীয় যুবদল ও বিএনপি নেতাকর্মীরাও সেখানে যোগ দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

মবের হানায় পণ্ড হয় অনুষ্ঠান। ছবিঃ সংগৃহীত
সংঘর্ষে যুবলীগের তিন কর্মী ও আওয়ামী লীগের দুই নেতাসহ অন্তত সাত জনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা দাবি জানায়, লতিফ সিদ্দিকী ও আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের আটক করা হোক। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ এসে লতিফ সিদ্দিকীসহ অন্তত ৯ জনকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম বলেন, “লতিফ সিদ্দিকী যেন জনতার হাতে লাঞ্ছিত না হন, সে জন্যই তাকে এবং তার কয়েকজন সহযোগীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।”
এর আগে অনুষ্ঠানে লতিফ সিদ্দিকীকে ঘিরে একদল লোক আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। এতে ভয়াবহ উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং শেষ পর্যন্ত পুলিশ হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au