ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের উপস্থিতি কেন ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ব্রিকস সম্মেলন ২০২৬। গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।…
মেলবোর্ন, ৩০ আগষ্ট- রাজধানীর কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনায় আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে শুরু হওয়া এই ঘটনায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। রাতেই সেনাবাহিনীর ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কাকরাইল এলাকায় দুটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে সংঘর্ষ তীব্র হলে তারা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে। ওই সময় পুলিশের ওপরও হামলা হয় এবং কয়েকজন সদস্য আহত হন।

নুরুল হক নুর মারাত্মক আহত হয়েছেন। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ছবিঃ সংগৃহীত
আইএসপিআর জানায়, সংঘর্ষের শুরুতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে, স্থান ত্যাগ করতে এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে মতপার্থক্য মেটানোর অনুরোধ জানান। কিন্তু বারবার সতর্ক করার পরও কিছু নেতাকর্মী তা অগ্রাহ্য করে সহিংসতা চালায়। তারা সংগঠিতভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আক্রমণ করে। রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিল বের করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও বিভিন্ন স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালানো হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশসহ বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ছবিঃ সংগৃহীত
সেনাবাহিনী আরও জানায়, বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় এই সহিংসতায় সাধারণ মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং জনদুর্ভোগ বাড়ে। শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতি সমাধানের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। এই ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সরকার সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সেই নীতি পুনর্ব্যক্ত করছে এবং জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখতে সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au