নতুন হামলার জেরে হরমুজ প্রণালিতে কমেছে জাহাজ চলাচল
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলার পর নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আরও…
মেলবোর্ন, ১২ সেপ্টেম্বর- বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ন্যাপচ্যাট নিয়ে নতুন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে ডেনমার্কভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ডিজিটাল্ট অ্যানসভার (Digitalt Ansvar)। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্ল্যাটফর্মটিতে শিশু-কিশোরদের সামনেই অবাধে মাদক কারবার চলছে, আর এই অপরাধ ঠেকাতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না স্ন্যাপচ্যাট।
ডিজিটাল্ট অ্যানসভারের গবেষকেরা ১৩ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীর নামে প্রোফাইল তৈরি করে পরীক্ষা চালান। তাতে দেখা যায়—
গবেষকেরা জানান, মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের পরীক্ষামূলক প্রোফাইলগুলোতে ৭০টির মতো সন্দেহভাজন মাদক বিক্রেতার প্রোফাইল সুপারিশ হিসেবে উঠে এসেছে—শুধুমাত্র একজন বন্ধুর মাধ্যমে সংযোগ থাকলেই।
“শিশুরা খুঁজছে না, স্ন্যাপচ্যাটই দেখাচ্ছে”
ডিজিটাল্ট অ্যানসভারের প্রধান নির্বাহী আস্ক হেসবি হোল্ম বলেন—
“একজন শিশু বা কিশোরকে এসব প্রোফাইল আলাদাভাবে খুঁজতে হচ্ছে না। স্ন্যাপচ্যাটই তাদের সামনে এসব মাদক বিক্রেতার প্রোফাইল তুলে ধরছে। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”
তিনি আরও যোগ করেন,
“স্ন্যাপচ্যাট দাবি করে তারা প্রযুক্তির মাধ্যমে মাদককারবারিদের শনাক্ত করে সরিয়ে ফেলে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, বিপুলসংখ্যক প্রোফাইল এখনো প্রকাশ্যে রয়েছে। ইউজারনেমেই মাদকসংক্রান্ত শব্দ থাকলেও কোনো ফিল্টার প্রয়োগ করা হচ্ছে না। সমস্যার মূল প্রযুক্তির ঘাটতি নয়, বরং ইচ্ছার অভাব।”
অভিযোগের জবাবে স্ন্যাপচ্যাট জানিয়েছে—
স্ন্যাপচ্যাটের এক মুখপাত্র বলেন,
“আমরা চাই অপরাধীদের জন্য স্ন্যাপচ্যাট একটি ‘শত্রুতাপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম’ হোক। তাই প্রযুক্তি, অংশীদারিত্ব এবং কমিউনিটি সচেতনতার মাধ্যমে মাদকবিরোধী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।”
গবেষণা সংস্থা ডিজিটাল্ট অ্যানসভার মনে করছে, শিশুদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে স্ন্যাপচ্যাট আসলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল পরিষেবাসংক্রান্ত নীতিমালা লঙ্ঘন করছে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
স্ন্যাপচ্যাটের দাবি, ২০২৩ সালে নর্ডিক অঞ্চলে ১৩ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের ৯০ শতাংশ ব্যবহারকারী তাদের প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় ছিল। এত বিপুলসংখ্যক তরুণ ব্যবহারকারীর মধ্যে যদি অবাধে মাদক ব্যবসার প্রচার চলে, তবে তা জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছেন গবেষকেরা।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au