যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানে নতুন করে কলেরার প্রাদুর্ভাব, মৃত ১২০
মেলবোর্ন,২ জুলাই-নযুদ্ধবিধ্বস্ত আফ্রিকার দেশ সুদানে নতুন করে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে কলেরা। সর্বশেষ প্রাদুর্ভাবে অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে গত মে মাস থেকে…
মেলবোর্ন, ১২ সেপ্টেম্বর- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে আটক হওয়া ৩০০-র বেশি দক্ষিণ কোরীয় শ্রমিক দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিশেষ উড়োজাহাজে তাঁরা সিউলের ইনচিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে আবেগঘন পরিবেশে স্বজনদের সঙ্গে পুনর্মিলিত হন তাঁরা।
অভিযানের সময় শ্রমিকদের হাতকড়া ও পায়ে বেড়ি পরানোর ছবি প্রকাশ্যে আসার পর দক্ষিণ কোরিয়ায় তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকের কাছে ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের মতো দীর্ঘদিনের মিত্রের কাছ থেকে এক ধরনের ‘চপেটাঘাত’ হিসেবে ধরা পড়েছে।
শ্রমিকদের পরিবার জানায়, তাঁরা কয়েক দিন প্রিয়জনদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখতে পারেননি। একজন শ্রমিকের মা বলেন, তাঁর ছেলে অ্যালার্জিতে ভুগছিল, তাই আটক থাকার সময় তিনি চরম আতঙ্কে ছিলেন। অন্য একজন জানান, আইসের অভিযানের ভিডিও দেখে তাঁর চোখে জল এসে যায়।
শ্রমিকদের মুক্তির দাবিতে দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াশিংটনে ছুটে যান। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এ ঘটনা দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিশ্বাস ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে ফাটল ধরিয়েছে।
১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। এশিয়ায় চীনের প্রভাব ঠেকাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করেছে দুই দেশ। কিন্তু হুন্দাই–এলজির যৌথ ব্যাটারি প্ল্যান্টে আইসের অভিযান কোরীয় বিনিয়োগ নিয়েই এখন প্রশ্ন তুলেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং বৃহস্পতিবার কঠোর সুরে বলেন, এ ধরনের ঘটনা ‘যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি বিনিয়োগের ওপর বড় ধরনের প্রভাব’ ফেলতে পারে। তিনি জানান, কোরীয় কর্মীদের জন্য নতুন ভিসা বিভাগ চালুর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলছে।
অন্যদিকে, হুন্দাইয়ের সিইও হোসে মুনোজ জানিয়েছেন, জর্জিয়ায় ব্যাটারি প্ল্যান্ট চালু হতে দুই থেকে তিন মাস দেরি হবে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে হুন্দাইয়ের প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি ও ব্যাটারি উৎপাদন কারখানা হওয়ার কথা ছিল। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, এতে ৮ হাজার ৫০০ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। কিন্তু অভিযানের পর প্রকল্পটি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
হুন্দাই আপাতত অন্য প্ল্যান্ট থেকে ব্যাটারি সংগ্রহ করবে। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি দক্ষিণ কোরীয় জনগণ ও কোম্পানিগুলোর মনে তৈরি হওয়া বিশ্বাসঘাতকতার অনুভূতি এত সহজে দূর হবে না।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au