তৃণমূল কার্যালয় থেকে ধারালো অস্ত্র উদ্ধারের অভিযোগে জীবনতলায় চাঞ্চল্য
মেলবোর্ন, ৬ মে- দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার অন্তর্গত ঘুটিয়ারি শরিফের নারায়ণপুর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি দলীয় কার্যালয় থেকে বিপুল পরিমাণ ধারালো অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায়…
মেলবোর্ন, ১৮ সেপ্টেম্বর- ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত ফেলানী খাতুনের ছোট ভাই মো. আরফান হোসেন (২১) চাকরি পেলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) লালমনিরহাটে ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৫ বিজিবি আয়োজিত সিপাহী নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সফলভাবে উত্তীর্ণ হন আরফান। অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আরফানের বাবা মো. নুরুল ইসলাম।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন,
“বিজিবি সর্বদা ফেলানীর পরিবারের পাশে আছে। ফেলানীর ছোট ভাই সিপাহী পদে নিয়োগ পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ শুরু করবেন। আমরা বিশ্বাস করি, প্রশিক্ষণ শেষে তিনি একজন যোগ্য বিজিবি সদস্য হিসেবে দেশসেবায় নিয়োজিত হবেন।”
তিনি আরও বলেন, “সীমান্তে ফেলানী হত্যার মতো নৃশংস ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে জন্য বিজিবি সর্বদা সীমান্তে সতর্ক রয়েছে।”
ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম ছেলের নিয়োগে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “আমার ছেলে যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছে, সঙ্গে ছিল সবার দোয়া। আশা করি, সে সততা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে দেশসেবায় নিজেকে প্রমাণ করবে। তাহলে আমার মেয়ে ফেলানীর আত্মা শান্তি পাবে।”
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারান ১৫ বছরের কিশোরী ফেলানী খাতুন। কাঁটাতারে ঝুলন্ত তাঁর মরদেহের ছবি দেশ-বিদেশে আলোড়ন তোলে। সীমান্ত হত্যার প্রতীক হয়ে ওঠেন ফেলানী। তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে।
লালমনিরহাট ১৫ বিজিবির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফেলানীর ছোট ভাইয়ের এই নিয়োগ শুধু একটি চাকরি নয়, এটি যেন বহু বছরের দুঃখ–বেদনার মাঝেও পরিবারের জন্য আশার আলো হয়ে এসেছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, শহীদ বোন ফেলানীর অসমাপ্ত স্বপ্ন একদিন পূর্ণ করবেন তাঁর ভাই আরফান।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au