আইসিসি থেকে বিশাল সুখবর পেল বাংলাদেশ
মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় সুখবর পেল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে এখন নবম স্থানে উঠে এসেছে…
মেলবোর্ন, ২৬ সেপ্টেম্বর- মাত্র ১৩৬ রানের লক্ষ্য। হাতের নাগালে জয়। সুযোগ ছিল সরাসরি ফাইনালে ওঠার। কিন্তু দুবাইয়ের মাঠে পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়িয়ে সেই সহজ সমীকরণটাও মেলাতে পারল না বাংলাদেশ। দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিংয়ের কারণে ১২৪ রানে থেমে গেল টাইগারদের ইনিংস, ফাইনালে পৌঁছে গেল পাকিস্তান।
পাকিস্তানের দেওয়া ১৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পারভেজ ইমন শূন্য রানে ফিরতেই চাপ তৈরি হয়। তার পথ ধরেন তাওহীদ হৃদয়। দুই ওপেনারের ব্যর্থতায় চাপে পড়ে দল। ভারতের বিপক্ষে ফিফটি করা সাইফ এদিনও আভাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সেটি বড় ইনিংসে রূপ দিতে পারেননি। হারিস রউফের বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে সাইম আইয়ুবের হাতে ধরা পড়ার আগে করেন মাত্র ১৮ রান।
একাদশে ফিরেছিলেন নুরুল হাসান সোহান। তবে তার ব্যাটে ছিল না আত্মবিশ্বাসের ছাপ। ছক্কা মারতে গিয়ে সাইম আইয়ুবকে ক্যাচ দেন তিনি। লিটন দাস ইনজুরির কারণে দলে না থাকায় নেতৃত্ব ছিল জাকের আলির হাতে। কিন্তু অধিনায়কও হতাশ করলেন। অবিবেচক শটে তিনি ফেরেন শূন্য হাতে। শেখ মেহেদী ও তানজিম সাকিবও রান পাননি।
শেষ ভরসা ছিলেন শামীম পাটোয়ারী। একাই লড়াই চালিয়ে যান তিনি। ২৫ বলে ৩০ রান করে বিদায় নিলে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার। শেষ দিকে রিশাদ হোসেন কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তা হারের ব্যবধান কমানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ থামে ১২৪ রানে। পাকিস্তানের পক্ষে শাহীন আফ্রিদি ও হারিস রউফ তিনটি করে উইকেট শিকার করেন।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে করে ১৩৫ রান। শুরুতে বাংলাদেশের বোলাররা চাপ তৈরি করেন। তাসকিন আহমেদ ফিরিয়ে দেন ফারহানকে, শেখ মেহেদী শূন্য রানে বিদায় করেন সাইম আইয়ুবকে। এরপরও ফখর জামান ও সালমান আলি আগা কিছুটা লড়াই করেন। তবে দুজনের কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।
৭১ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানোর পর বড় সংগ্রহের আশা ছিল ক্ষীণ। কিন্তু শেষদিকে মোহাম্মদ হারিস ও মোহাম্মদ নাওয়াজ দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন। হারিস ২৩ বলে ৩১ এবং নাওয়াজ ১৫ বলে ২৫ রান করেন। এতে দেড়শর কাছাকাছি সংগ্রহ দাঁড় করাতে সক্ষম হয় পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন ৩টি, মুস্তাফিজ ও রিশাদ ২টি করে উইকেট নেন।
অথচ শুরুতে তাসকিনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে যে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে চাপে ছিল, শেষ দিকে বাজে ফিল্ডিং আর ক্যাচ মিসের খেসারত দিতে হয় বাংলাদেশকে। লক্ষ্যও তাই হয়ে দাঁড়ায় কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। তবে ১৩৬ রানের মতো টার্গেট ব্যাটাররা ঠাণ্ডা মাথায় সামলাতে পারতেন। কিন্তু একের পর এক ভুল শট খেলে ফেরেন তারা।
অবশেষে ১১ রানের হারেই বিদায় নেয় বাংলাদেশ। পাকিস্তান যায় ফাইনালে, যেখানে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়া কাপের শিরোপা লড়াই।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au