জ্বালানি সংকটে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়াল শ্রীলঙ্কা
মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ- তীব্র জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বড় ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা সরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এখন থেকে প্রতি বুধবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা…
মেলবোর্ন, ২৯ সেপ্টেম্বর- মলদোভার ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থী শাসক দল পার্টি অব অ্যাকশন অ্যান্ড সলিডারিটি (পিএএস) একটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় নির্বাচনে রাশিয়াপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বীকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে। সোমবার প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, এই বিজয় দেশটির ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের প্রচেষ্টাকে আরও গতি দেবে এবং মস্কোর দীর্ঘদিনের প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসার সংকল্পকে স্পষ্ট করবে। খবর রয়টার্সের।
মলদোভার নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ফলাফল বলছে, প্রেসিডেন্ট মাইয়া সান্দুর নেতৃত্বাধীন পিএএস পেয়েছে মোট ভোটের ৫০.১ শতাংশ। অপরদিকে, দেশকে রাশিয়াপন্থী পথে নিয়ে যেতে চাওয়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্যাট্রিওটিক ব্লক পেয়েছে মাত্র ২৪.২ শতাংশ ভোট। এই ব্যবধান শুধু সংখ্যায় নয়, রাজনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ।
নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জরিপে দুই দলের মধ্যে প্রায় সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। এমনকি ধারণা করা হচ্ছিল, কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে না। কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফল সেই পূর্বাভাসকে ভুল প্রমাণ করেছে।
প্রেসিডেন্ট মাইয়া সান্দুর পিএএস-এর এই শক্তিশালী পারফরমেন্স সরকার এবং তাদের ইউরোপীয় অংশীদারদের জন্য স্বস্তির খবর হয়ে এসেছে। এর মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে ইইউ সদস্যপদ অর্জনের লক্ষ্যে অগ্রসর হওয়ার পথ আরও সুগম হলো।
সান্দু দীর্ঘদিন ধরে মলদোভার ভবিষ্যৎ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে জড়িত বলে প্রচার করে আসছেন। তিনি মনে করেন, মস্কোর প্রভাব থেকে মুক্তি ছাড়া দেশটির গণতন্ত্র ও অর্থনীতি কোনোভাবেই টেকসই হবে না।
ভোটের আগে থেকেই পিএএস নেতৃত্ব অভিযোগ করে আসছিল যে রাশিয়া নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করছে এবং ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। ইউরোপীয় পর্যবেক্ষকেরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন যে, তথ্যযুদ্ধ এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণার মাধ্যমে মস্কো প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে। তবে শক্তিশালী জয় সেই প্রচেষ্টাকে কার্যত ব্যর্থ করে দিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই ফলাফল শুধু একটি নির্বাচনী জয় নয়, বরং মলদোভার পররাষ্ট্রনীতির দিকনির্দেশনাও স্পষ্ট করছে। জনগণ এখন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের পথে হাঁটতে চায়।
তবে চ্যালেঞ্জও কম নয়। অর্থনৈতিক সংকট, জ্বালানি নির্ভরতা এবং রাশিয়ার সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া মলদোভার সামনে বড় পরীক্ষা হয়ে থাকবে। তবুও পিএএস-এর এই জয় দেশটির ইউরোপীয় স্বপ্ন বাস্তবায়নে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au