গাজা নিয়ে আলোচনার মধ্যেও হামলা চলছে। ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত স্বজনকে জড়িয়ে এক ফিলিস্তিনি নারীর আহাজারি। গত বৃহস্পতিবার গাজার দেইর-আল-বালাহতে।ছবি: এএফপি
মেলবোর্ন, ৪ অক্টোবর- মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামাসকে রোববারের মধ্যে দেওয়া প্রস্তাব মেনে নিতে কঠোর হুমকি দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাড়া না পেলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে।
এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের দেওয়া প্রস্তাব গ্রহণ করা ছাড়া হামাসের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই। রোববারের পর যদি তা না করা হয়, তাহলে তারা বড় ধরনের মূল্য দিতে বাধ্য হবে।” তবে তিনি কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, তা স্পষ্ট করেননি।
ওয়াশিংটন সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবে গাজায় যুদ্ধবিরতি, বন্দি বিনিময় এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে হামাস এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ একে ‘অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ’ বলে সমালোচনা করেছে, আবার যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা বলছে, এটি আলোচনায় গতি আনতে পারে।
এদিকে গাজায় খাদ্য, পানি ও চিকিৎসার সংকট আরও গভীর হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, রাজনৈতিক চাপের পরিবর্তে জরুরি ভিত্তিতে মানবিক করিডর খোলা উচিত।
ট্রাম্পের হুমকি নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনায় উত্তেজনা যোগ করলেও গাজার বাস্তব সংকট নিরসনে তা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
সুত্রঃ বিবিসি