মেলবোর্ন,৬ অক্টোবর- যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইউক্রেনে যুদ্ধরত রুশ বাহিনীর সঙ্গে কিউবান যোদ্ধাদের অংশগ্রহণের প্রমাণ রয়েছে। এ ঘটনাকে সামনে রেখে ওয়াশিংটন তার মিত্র দেশগুলোকে জাতিসংঘে কিউবাকে বর্জন করার আহ্বান জানিয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন,“কিউবা রাশিয়ার সামরিক অভিযানে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত হয়ে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করছে। আমাদের মিত্রদের উচিত এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে সমর্থন না করা, যারা আগ্রাসী যুদ্ধকে সহায়তা দিচ্ছে।”
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর পক্ষে শতাধিক কিউবান ভাড়াটে যোদ্ধা লড়ছে। তাদের অনেকেই কিউবা থেকে রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য।
তবে হাভানা এসব অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। কিউবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি কোনো বিদেশি সংঘাতে জড়িত নয় এবং এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে তারা “অবৈধ ও মানববিরোধী” মনে করে।
বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের এই অবস্থান লাতিন আমেরিকায় নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। অনেক দেশই যুক্তরাষ্ট্রের বর্জন নীতির সঙ্গে একমত নয় এবং কিউবার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার পক্ষে।
গত বছর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘন ও রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এবার বিষয়টি জাতিসংঘে বড় রাজনৈতিক বিতর্কে রূপ নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সুত্রঃ রয়টার্স