মেলবোর্ন, ১১ অক্টোবর- গাজায় বহু প্রতীক্ষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর শুরু হয়েছে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে বন্দিবিনিময় প্রক্রিয়া। চুক্তির অংশ হিসেবে ধাপে ধাপে মুক্তি পাচ্ছেন উভয় পক্ষের আটক ব্যক্তিরা। এ প্রক্রিয়াটি যুদ্ধবিরতির শর্ত বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রথম ধাপে হামাসের হাতে থাকা কয়েকজন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, এর বিপরীতে ইসরায়েলও কয়েক ডজন ফিলিস্তিনি বন্দিকে ছেড়ে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই বিনিময়কে স্বাগত জানালেও সতর্ক করে বলেছে, এটি যেন টেকসই শান্তির প্রথম ধাপ হয়, সাময়িক রাজনৈতিক প্রদর্শনী না হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনে ধাপে ধাপে অবশিষ্ট বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে, একই সঙ্গে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের পরিমাণ বাড়ানো হবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৪০০টি ত্রাণ ট্রাক গাজায় প্রবেশের অনুমতি পাবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বন্দিবিনিময় প্রক্রিয়া যুদ্ধবিরতির প্রতি উভয় পক্ষের সদিচ্ছার প্রতিফলন হলেও, পরিস্থিতি এখনও নাজুক। ইসরায়েলি বাহিনী সীমান্তে প্রস্তুত রয়েছে, আর হামাসও জানিয়ে দিয়েছে—“যদি চুক্তি ভঙ্গ হয়, প্রতিক্রিয়া আসবে দ্রুত।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টেকসই শান্তির জন্য শুধু বন্দিবিনিময় নয়, বরং দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের পথে অগ্রসর হওয়াই এখন জরুরি।