বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার জরুরি সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক
মেলবোর্ন, ২৯ জুন- বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার, বৈশ্বিক সার ও জ্বালানি বাজারের মূল্য এবং সরবরাহজনিত অস্থিরতা মোকাবিলা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করতে ১১০…
মেলবোর্ন, ১৪ অক্টোবর- তীব্র জনবিক্ষোভ ও রাজনৈতিক সংকটের মুখে সামরিক বিমানে দেশ ছাড়লেন প্রেসিডেন্ট । রাজধানীজুড়ে কয়েকদিন ধরে চলা জেন-জেনারেশনের (Gen Z) নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে প্রশাসন কার্যত অচল হয়ে পড়ে। প্রতিবাদকারীরা দুর্নীতি, সেনা প্রভাব ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, শনিবার ভোরে প্রেসিডেন্ট ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ উড়োজাহাজে করে দেশ ত্যাগ করতে দেখা গেছে। গন্তব্য হিসেবে প্রতিবেশী একটি দেশকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেলেও, এখন পর্যন্ত তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
শুক্রবার রাত থেকে হাজারো তরুণ রাজধানীর কেন্দ্রে অবস্থান নিয়ে “নো মোর মিলিটারি রুল” স্লোগান দিতে থাকেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, প্রতিবাদকারীরা প্রেসিডেন্ট ভবনের সামনে ব্যারিকেড ভেঙে প্রবেশের চেষ্টা করছেন।
নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১২ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট দেশ ত্যাগের পর সেনাবাহিনী জরুরি অবস্থা জারি করেছে এবং রাতভর রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল জোরদার করা হয়েছে।
সেনাপ্রধান এক বিবৃতিতে বলেন, “দেশে শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব নিয়েছি।”
তবে বিক্ষোভকারীরা দাবি করেছেন, “এটি আরেকটি সামরিক অভ্যুত্থানের সূচনা।”
জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘের মুখপাত্র বলেন, “জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত না হলে এই সংকট আরও গভীর হবে।”
বিশ্লেষকদের মতে, এই তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন শুরু হয়েছিল বেকারত্ব, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক অচলাবস্থা ঘিরে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে সংগঠিত এই তরুণরা সরকারের স্বচ্ছতা ও সেনা প্রভাবের অবসান দাবি করে আসছিলেন।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au