ব্রিটিশ নিষেধাজ্ঞার জেরে কনস্যুলেট বন্ধ করছে ইসরায়েল
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার জেরে জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে সাবেক লেবার নেতা জেরেমি করবিনসহ…
মেলবোর্ন, ১৭ অক্টোবর- “বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও উদ্দেশ্য ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রের উচিত পুরো ব্যবস্থাটিই বন্ধ করে দেওয়া” – সাম্প্রতিক এক আলোচনায় এমন মন্তব্য করে শিক্ষা অঙ্গনে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন এক প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও সমাজচিন্তক।
রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত “শিক্ষা, সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ” শীর্ষক সেমিনারে বক্তা বলেন,
“আমরা এমন এক শিক্ষা ব্যবস্থা চালাচ্ছি যা দক্ষতা, নৈতিকতা বা সৃজনশীলতা তৈরি করতে পারছে না। কেবল ডিগ্রির পেছনে দৌড়াচ্ছে সবাই। এমন শিক্ষা ব্যবস্থার চেয়ে বরং না থাকাই ভালো।”
তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক শিক্ষাবিদ ও অভিভাবক বলেছেন, শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের প্রয়োজন আছে, কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার কথা “অবাস্তব ও দায়িত্বজ্ঞানহীন”।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সালমা রহমান বলেন,
“শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা স্বীকার করতে হবে, তবে সমাধান হলো পরিবর্তন আনা, ধ্বংস নয়। রাষ্ট্রের দায়িত্ব শিক্ষাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করা, বন্ধ করে দেওয়া নয়।”
অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের একটি অংশ মনে করছে, বক্তার বক্তব্যের মূল তাৎপর্য শিক্ষাব্যবস্থার আমলাতান্ত্রিক ব্যর্থতা ও বাস্তবমুখী শিক্ষা অভাব তুলে ধরা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, সরকার শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিকীকরণে নতুন কারিকুলাম, দক্ষতা নির্ভর প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর জোর দিচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মন্তব্য দেশের শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত সংকট ও নীতিগত দুর্বলতা নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে, যা ভবিষ্যৎ সংস্কার পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au