চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২ নভেম্বর- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ও মিথ্যা প্রচারণার মাধ্যমে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির এক পরিকল্পিত প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এমন এক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে, যেখানে মানুষ হতাশ ও উদ্বিগ্ন।
রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দলের এক যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক, সদস্যসচিবসহ কেন্দ্রীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, “৭ নভেম্বর আমাদের কাছে, গোটা জাতির কাছে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মানুষ উদ্বিগ্ন,কি হতে যাচ্ছে, কি হতে পারে। সেই আশঙ্কার মধ্যে আছে। আমাদের শত্রুরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে। যত সময় যাচ্ছে, ততই দেশে একটি নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা দেখছি, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রোপাগান্ডা ও মিথ্যা প্রচার চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশু আরোগ্য কামনা করা হয়।
বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৯ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নয় দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এ কর্মসূচি ৫ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।
প্রধান কর্মসূচি:
৭ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকালে নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।
সকাল ১০টায় দলের জাতীয় নেতারা সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।
বিকেল ৩টায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালি অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও র্যালি অনুষ্ঠিত হবে।
অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পৃথক কর্মসূচি:
৫ নভেম্বর: শ্রমিক দলের উদ্যোগে আলোচনা সভা।
৭-৮ নভেম্বর: টিএসসিতে ছাত্রদলের আয়োজনে আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং ৮ নভেম্বর আলোচনা সভা।
৯ নভেম্বর: ওলামা দলের উদ্যোগে এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ।
১০ নভেম্বর: তাঁতী দলের উদ্যোগে আলোচনা সভা।
১১ নভেম্বর: কৃষক দলের আলোচনা সভা।
১২ নভেম্বর: বিএনপির উদ্যোগে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মূল আলোচনা সভা।
১৩ নভেম্বর: জাসাসের উদ্যোগে শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এ ছাড়া ৬ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ভিডিও ও স্থিরচিত্র ডকুমেন্টারি ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। দিবস উপলক্ষে পোস্টার ও ক্রোড়পত্রও প্রকাশ করা হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, “৭ নভেম্বরের এই দিনটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসে গভীর তাৎপর্য বহন করে। আমরা চাই, দেশের সব মানুষ ঐক্যবদ্ধ হোক, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধারে সোচ্চার হোক।”
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au