পণ্যের দাম ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াল অ্যাপল ও মাইক্রোসফট
মেলবোর্ন, ২৬ জুন- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে বিশ্ববাজারে মেমোরি চিপ ও স্টোরেজ উপাদানের দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় জনপ্রিয় বিভিন্ন পণ্যের দাম ২০…
মেলবোর্ন, ৫ নভেম্বর- আগামী বছরই পানিতে নামতে যাচ্ছে পাকিস্তান নৌবাহিনীর জন্য চীনের তৈরি অত্যাধুনিক ‘হাঙর ক্লাস’ (Hangor-class) সাবমেরিন। এই সাবমেরিন চালুর মাধ্যমে পাকিস্তান তার সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
২০১৫ সালে চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রায় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের এই চুক্তির আওতায় মোট আটটি হাঙর ক্লাস সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে চারটি চীনের শিপইয়ার্ডে এবং বাকি চারটি পাকিস্তানের করাচি শিপইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস-এ নির্মিত হবে। প্রথম সাবমেরিনটি ২০২৬ সালের প্রথমার্ধেই পানিতে নামার কথা রয়েছে।
চীনের উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি এই সাবমেরিনগুলো হবে ডিজেল-ইলেকট্রিক টাইপ, যেখানে থাকবে এয়ার ইনডিপেনডেন্ট প্রপালশন (AIP) সিস্টেম। এই প্রযুক্তি সাবমেরিনকে দীর্ঘ সময় পানির নিচে অবস্থান করতে সক্ষম করবে। এতে থাকবে আধুনিক সোনার সিস্টেম, হেভি টরপেডো এবং ক্রুজ মিসাইল সক্ষমতা, যা ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে পাকিস্তান তার সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক প্রভাব বাড়াতে চাইছে। বিশেষ করে ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরে শক্তির ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ হবে।
চীনের সঙ্গে এই প্রযুক্তি সহযোগিতা পাকিস্তানের নৌবাহিনীকে শুধু আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত করবে না, বরং স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিরক্ষা শিল্প বিকাশ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরেও সহায়ক হবে।
তবে সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকল্পটি সময়সাপেক্ষ এবং জটিল। সাবমেরিন নির্মাণ ও পরীক্ষার ধাপগুলো সম্পন্ন করতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে। তা সত্ত্বেও, পাকিস্তান নৌবাহিনীর ইতিহাসে এটি একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: ডন
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au