নতুন ভূমিকায় সানিয়া মির্জা, লড়ছেন নির্বাচনে
টেনিস কোর্টে একাধিক সাফল্যের পর এবার ক্রীড়া প্রশাসনে নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন ভারতের সাবেক টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থার বিশেষ ক্রীড়াব্যক্তিত্ব প্রতিনিধি…
মেলবোর্ন, ২২ নভেম্বর- সিরাজগঞ্জে ডিবি পুলিশের হেফাজতে থাকা এক আসামির মৃত্যুকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। পুলিশ বলছে, শ্বাসকষ্টজনিত কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা জানান, শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং ভেতরে রক্তক্ষরণ হতে পারে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে মারা যান শাহাদত হোসেন, বয়স ৪৫। তিনি সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হেমাদ্রি শেখর সাহা বলেন, সিভিল পোশাকে কয়েকজন পুলিশ শাহাদতকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাঁর হাতের আঙুলে ক্ষত দেখা যায়। কারণ জানতে চাইলে পুলিশ জানায়, এটি নাকি সাধারণ মারধরের ঘটনার অংশ। ভর্তি হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।
চিকিৎসকের ধারণা, শরীরের ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেন, ভয় বা চাপের কারণেও হৃদ্যন্ত্র থেমে যেতে পারে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ঘটনা নিয়ে পুলিশের বক্তব্য ভিন্ন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মাহবুবুর রহমান দাবি করেন, সম্প্রতি উল্লাপাড়ায় অটোরিকশাচালক আমিনুল ইসলামের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শাহাদত ছিলেন সন্দেহভাজন। ছিনিয়ে নেওয়া রিকশাটি উদ্ধারের তথ্য পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাঁর আগে থেকেই শ্বাসকষ্ট ছিল বলে কর্মকর্তাদের ধারণা। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানান এই কর্মকর্তা।
হাসপাতালে গিয়ে জানা যায়, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর শাহাদতের স্বজনদের ডিবি পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়ে গেছে। হাসপাতালে কর্মরত নার্স ও স্টাফেরা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ওই সময় গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তারাও হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ ডিবির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া মেলেনি। উল্লাপাড়া থানার ওসি একরামুল হক বলেন, তাঁরা শুধু তথ্য দিয়েছেন, গ্রেপ্তারের কাজ ডিবি করেছে।
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া না পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিয়ে জল্পনা-আলোচনা থামছে না। স্থানীয়দের দাবি, হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au