দেশব্যাপী আন্দোলনে নামতে চায় ভারতের মুসলিমরা
মেলবোর্ন, ২৫ জুন- ভারতে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান হামলা, বৈষম্য ও ধর্মীয় অধিকারে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে দেশব্যাপী আন্দোলনের প্রস্তুতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির মুসলিমদের অন্যতম…
মেলবোর্ন, ৪ ডিসেম্বর- ভ্লাদিমির পুতিনের দুদিনের ভারত সফর শুরুর আগেই মস্কো ভারতের সঙ্গে কৌশলগত একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক চুক্তি অনুমোদন করেছে। রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট ড্যুমা মঙ্গলবার ‘রিলোস’ নামে পরিচিত রেসিপ্রোকাল এক্সচেঞ্জ অব লজিস্টিক সাপোর্ট চুক্তিটি পাস করে।
এর ফলে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনী একে অপরের সামরিক পরিকাঠামো ব্যবহার করতে পারবে এবং যৌথ মহড়া, সরঞ্জাম পরিবহন, মানবিক সহায়তা ও উদ্ধার অভিযানে লজিস্টিক সুবিধা পাবে।
বিবিসি জানিয়েছে, এই চুক্তি সই হয়েছিল চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে। ড্যুমায় অনুমোদনের সময় স্পিকার ভ্যাচেস্লাভ ভলোদিন বলেন, রাশিয়া ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে কৌশলগত উচ্চতায় দেখে এবং এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের সহযোগিতা আরও গভীর করবে।
রাশিয়ার সরকারও জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে একে অপরের আকাশসীমা ও বন্দর সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে।
পুতিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে পৌঁছাবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ২৩তম ভারত–রাশিয়া শীর্ষ বৈঠকে সামরিক, বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সফরের ঠিক আগে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, রাশিয়া ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে প্রস্তুত, তবে দিল্লি কতটা এগিয়ে আসে তার ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যতের গতি।
দুই দেশের মধ্যে নতুন আরও সামরিক চুক্তির সম্ভাবনাও আছে। রাশিয়ার ফার্স্ট ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ডেনিস মান্তুরেয়েভ জানিয়েছেন, যৌথ উৎপাদন ও প্রযুক্তি বিনিময় দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। ভারতের সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ার সরবরাহে।
বৈঠকে আধুনিক সুখোই-৫৭ যুদ্ধবিমান ক্রয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। দীর্ঘ রেঞ্জের এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অতিরিক্ত ইউনিট কেনাও আলোচনায় আসতে পারে। এছাড়া ব্রাহ্মোসের উন্নত সংস্করণ নিয়েও কথা হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পেসকভের বক্তব্য প্রকাশ করেছে যে মস্কো ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী, একইসঙ্গে চীনের সঙ্গে থাকা কৌশলগত ঘনিষ্ঠতার সমান্তরালে দিল্লিকেও গুরুত্ব দিতে চায়। তবে ভারত যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া উভয়ের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বলে দ্রুত কোনো বড় অবস্থান বদলের সম্ভাবনা কম।
পুতিনের সফরকে তাই আন্তর্জাতিক রাজনীতির জটিল ভারসাম্যের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
সুত্র: বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au