ইয়েমেনে ভয়াবহ সংঘর্ষ, একদিনেই নিহত ১৪১
ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার-সমর্থিত বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ১৪১ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। শনিবার দুপুর থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত কয়েকটি…
মেলবোর্ন, ৯ ডিসেম্বর- মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে এবারের আয়োজন আরও বড় পরিসরে সাজানো হচ্ছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর আকাশে উড়বে ৫৪টি জাতীয় পতাকা, আর সেই পতাকা হাতে স্কাইডাইভ করবেন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার। এই সংখ্যা স্বাধীনতার বছরের সঙ্গে মিল রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে। আয়োজনটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পাওয়ার মতো বৃহৎ স্কেলের হওয়ায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, বিজয় দিবস ২০২৫ উদ্যাপন নিয়ে সোমবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রস্তুতিসভা হয়েছে। সভায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজমের সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সচিব, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রতিরক্ষা খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় বিভিন্ন কর্মসূচির বিস্তারিত প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।
বিজয় দিবসের মূল আয়োজন হবে ঢাকার তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দরে। সকাল ১১টা থেকে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী আলাদাভাবে ফ্লাই পাস্ট মহড়া দেবে। ১১টা ৪০ মিনিটে ‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার পতাকা হাতে স্কাইডাইভ করবেন। এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। একই ধরনের ফ্লাই পাস্ট মহড়া দেশের অন্যান্য শহরেও অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, আনসার বাহিনী ব্যান্ড শো আয়োজন করবে।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সারাদেশের জেলা ও উপজেলাগুলোতে তিন দিনব্যাপী বিজয়মেলার আয়োজন করছে। শিশুদের অংশগ্রহণে রচনা, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও থাকবে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৫ ডিসেম্বর অ্যাক্রোবেটিক শো এবং যাত্রাপালা ‘জেনারেল ওসমানী’ প্রদর্শন করবে। ১৬ ডিসেম্বর পরিবেশিত হবে বিজয় দিবসের গান। দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান পরিবেশন করবেন নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা।
তথ্য মন্ত্রণালয় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং আলোকসজ্জা করা হবে। সকালে ৩১ বার তোপধ্বনি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ অনুষ্ঠান, আর জেলা-উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা হবে।
নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড চট্টগ্রাম, খুলনা, মংলা, পায়রা, সদরঘাট, পাগলা ও বরিশালসহ বিভিন্ন ঘাটে জাহাজ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখবে। সিনেমা হলে ছাত্রছাত্রীদের জন্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র বিনা টিকেটে দেখানো হবে। মিলনায়তন ও উন্মুক্ত স্থানে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীও থাকবে। জাদুঘর ও বিনোদনকেন্দ্রগুলো শিশুদের জন্য বিনা টিকেটে খোলা থাকবে।
মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে শহীদদের রুহের মাগফেরাত, আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ দোয়া বা প্রার্থনা করা হবে। হাসপাতাল, জেলখানা, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, পথশিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রীতিভোজের আয়োজন থাকবে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, বিজয় দিবস সবার দিন। এবার এমনভাবে উদযাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে যাতে ধর্ম, বর্ণ বা বয়স নির্বিশেষে সবাই অংশ নিতে পারে। সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, এবারের আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে বিজয়ের চেতনাকে আরও গভীরভাবে পৌঁছে দেবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au