তাহসিফের ‘জুনিয়র বন্ধু’ দীপকে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করল পিবিআই
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর সঙ্গে নিখোঁজ হওয়ার আগে প্রায় ছয় ঘণ্টা সময় কাটানো ‘জুনিয়র বন্ধু’ দীপকে নৌ পুলিশের…
মেলবোর্ন, ২৬ ডিসেম্বর- চিকিৎসাধীন মায়ের সঙ্গে দেখা করতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার দিনেই তিনি সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থ মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার খোঁজ নেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষ করে মঞ্চ ত্যাগ করেন তারেক রহমান। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন। সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটে তারেক রহমান হাসপাতাল চত্বরে পৌঁছান।
তার আগমন ঘিরে সকাল থেকেই এভারকেয়ার হাসপাতালের প্রধান ফটকে বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেদ করে তারেক রহমানকে বহনকারী গাড়ি হাসপাতাল এলাকায় ঢোকার সময় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। দলীয় পতাকা ও ফেস্টুন হাতে অনেককে স্লোগান দিতে দেখা যায়, যদিও দলীয়ভাবে হাসপাতাল এলাকায় স্লোগান না দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছিল।
এর আগে দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে একটি বিশেষ বাসে করে গণসংবর্ধনার উদ্দেশে রওনা দেন তারেক রহমান। পথে পথে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নেতা-কর্মীরা হাত নেড়ে তাঁকে স্বাগত জানান। প্রায় তিন ঘণ্টা ১৫ মিনিট পর তিনি গণসংবর্ধনার মঞ্চে পৌঁছান।
দুপুর ১১টা ৪৫ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফুল দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান। এরপর তিনি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন করেন।
এ সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। বিমানবন্দরে তাঁকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেন তাঁর শাশুড়ি।
দীর্ঘ নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে প্রথম দিনেই মায়ের শয্যাপাশে তারেক রহমানের উপস্থিতি বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে আবেগ ও প্রতীকের গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au