তাহসিফের ‘জুনিয়র বন্ধু’ দীপকে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করল পিবিআই
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর সঙ্গে নিখোঁজ হওয়ার আগে প্রায় ছয় ঘণ্টা সময় কাটানো ‘জুনিয়র বন্ধু’ দীপকে নৌ পুলিশের…
মেলবোর্ন, ২৬ ডিসেম্বর- শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় গভীর রাতে মশাল হাতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের একটি ঝটিকা মিছিল ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে হঠাৎ ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে এই মিছিল বের করা হয়।
মিছিলে ব্যবহৃত পোস্টারগুলোতে লেখা ছিল, ‘অবৈধ ইউনূস সরকারের ধ্বংসাত্মক জ্বালাও-পোড়াও ও অবৈধ তফসিলের বিরুদ্ধে মশাল মিছিল। আয়োজনে তৃণমূল আওয়ামী লীগ, গোসাইরহাট, শরীয়তপুর।’ মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার গোপনে বিদেশ গমনের পর গোসাইরহাটে আওয়ামী লীগের প্রকাশ্য কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি। দীর্ঘ নীরবতার পর হঠাৎ গভীর রাতে এ ধরনের মিছিল বের হওয়ায় অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন।
মিছিলে অংশ নেওয়া অধিকাংশ ব্যক্তির মুখ ছিল মুখোশ বা কাপড়ে ঢাকা। কোনো শীর্ষস্থানীয় নেতাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। পোস্টারগুলোতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের ছবি থাকলেও অন্য কোনো নেতার নাম বা ছবি ছিল না। মশাল হাতে অংশগ্রহণকারীদের ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। একই ধরনের ছবি ও ভিডিও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ফেসবুক পেজেও পোস্ট করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে স্থানীয় বিরোধী রাজনৈতিক মহল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাবেক ছাত্রদলের এক নেতা বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে যারা মিছিল করে শান্ত গোসাইরহাটকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে। অন্যথায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।
এ বিষয়ে জানতে গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজিজুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হঠাৎ এই ঝটিকা মিছিল ঘিরে এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au