আমরা প্রেমে ছিলাম কি না,কেউ জানতে চায়নি: পরীমনি
মেলবোর্ন, ২০ জুন- ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্তের পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে চিত্রনায়িকা…
মেলবোর্ন, ২৭ ডিসেম্বর- বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। নয়াদিল্লির মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংগৃহীত দুই হাজার ৯০০ সহিংসতার তথ্যকে কোনোভাবেই সংবাদমাধ্যমের অতিরঞ্জন বা রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
শুক্রবার এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধসহ সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে চরমপন্থিদের অবিরাম শত্রুতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, “স্বতন্ত্র সূত্রগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে দুই হাজার ৯০০ সহিংসতার তথ্য সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে হত্যা, অগ্নিসংযোগ এবং জমি দখলের মতো ঘটনাও রয়েছে। এসব ঘটনাকে মিডিয়ার অতিরঞ্জন বলে একপাশে সরিয়ে দেওয়া যায় না।”
ময়মনসিংহে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা ও মরদেহ পোড়ানোর ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জয়সওয়াল বলেন, এই নৃশংস অপরাধে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার প্রত্যাশা করে ভারত। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে টানাপড়েন চলছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ভারতের বক্তব্যকে ‘অতিরঞ্জন’ বলে আসছে ঢাকা। বাংলাদেশের দাবি, বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতাকে সংখ্যালঘু নির্যাতনের রূপ দেওয়া হচ্ছে।
দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের পর ভারতে বাংলাদেশ মিশন ঘিরে বিক্ষোভও হয়েছে। দিল্লি ও শিলিগুড়িতে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছে দুই দেশ। ভারত বলছে, এসব বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল এবং দ্রুতই পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অন্যদিকে বাংলাদেশ অভিযোগ করেছে, কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
ভারতবিরোধী বিক্ষোভের পেছনে শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার এক সন্দেহভাজনের ভারত পালানোর গুজবও ভূমিকা রেখেছে বলে জানানো হয়। এ প্রসঙ্গে জয়সওয়াল বলেন, “বাংলাদেশে যে মিথ্যা বয়ান ছড়ানো হচ্ছে, আমরা তা প্রত্যাখ্যান করেছি। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি দেখার দায়িত্ব বাংলাদেশের সরকারের।”
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে জয়সওয়াল বলেন, ভারত বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় এবং দেশটির শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে রয়েছে। তিনি জানান, ভারত অবাধ, নিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান অব্যাহত রাখবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au