বজ্রপাতে সাত জেলায় ৯ জনের মৃত্যু
মেলবোর্ন, ৩০ এপ্রিল- দেশের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনায় একদিনেই সাত জেলায় অন্তত ৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জামালপুর, পটুয়াখালী, ময়মনসিংহ, রাজবাড়ী, রংপুর, শরীয়তপুর…
মেলবোর্ন, ৩০ ডিসেম্বর- তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের আইএস একটি আস্তানায় অভিযান চালাতে গিয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষে তিন পুলিশ সদস্যসহ মোট নয়জন নিহত হয়েছেন। সোমবার ইস্তাম্বুলের দক্ষিণে মারমারা সাগর উপকূলবর্তী শহর ইয়ালোভায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইয়ারলিকায়া জানান, ইয়ালোভার একটি বাড়িতে আইএসের সদস্যরা অবস্থান করছে এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় জঙ্গিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে দীর্ঘ সময় ধরে সংঘর্ষ চলে।
একজন আলোকচিত্রী জানান, প্রায় আট ঘণ্টা ধরে অভিযানটি চলে এবং এ সময় থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা যায়। সংঘর্ষে তিন পুলিশ সদস্য নিহত হন এবং ছয় আইএস জঙ্গি মারা যায়। এ ঘটনায় পুলিশের আটজন সদস্য এবং নিরাপত্তা বাহিনীর আরও একজন আহত হয়েছেন।
অভিযান শেষে ওই বাড়ি থেকে পাঁচজন নারী ও ছয়টি শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নিহত ছয় জঙ্গিই তুরস্কের নাগরিক।
কর্তৃপক্ষ জানায়, বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষকে ঘিরে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় গত সপ্তাহে দেশজুড়ে ব্যাপক অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে ১১৫ জন সন্দেহভাজন আইএস সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোরে আরও একটি সাঁড়াশি অভিযানে ১৫টি প্রদেশের ১০৮টি স্থানে একযোগে অভিযান চালানো হয়। গত এক মাসে তুরস্কে মোট ১৩৮ জন সন্দেহভাজন আইএস সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ইস্তাম্বুলের প্রধান প্রসিকিউটর অফিস জানিয়েছে, আইএস জঙ্গিরা বিশেষ করে অমুসলিমদের লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা করছিল। এ তথ্য পাওয়ার পরই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
এক বার্তায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, জনগণের শান্তি ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিতকারী এই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশের ভেতরে ও বাইরে লড়াই অব্যাহত থাকবে।
বিশ্বজুড়ে সাম্প্রতিক সময়ে আইএস নতুন করে সক্রিয় হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। গত সপ্তাহে নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গিদের ওপর হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া সিরিয়ায় মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার জবাবে ১৯ ডিসেম্বর আইএসের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। চলতি মাসে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একটি অনুষ্ঠানে হামলার পেছনেও আইএসের অনুপ্রেরণা ছিল বলে ধারণা করছে দেশটির পুলিশ।
২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে তুরস্কে আইএসের ধারাবাহিক হামলায় ইস্তাম্বুলের একটি নাইটক্লাব ও প্রধান বিমানবন্দরে বড় ধরনের হামলায় বহু মানুষ নিহত হন। সিরিয়া যুদ্ধের সময় বিদেশি যোদ্ধাদের যাতায়াতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট ছিল তুরস্ক। ২০১৭ সালের পর বড় কোনো হামলা না হলেও দেশটি নিয়মিতভাবে আইএসের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au