১৫ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে ঘিরে রক্তাক্ত রাজনীতির অধ্যায়
মেলবোর্ন, ২১ আগষ্ট- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট দুটি আলাদা তারিখ হলেও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক স্মৃতিতে এ দুটি দিন গভীরভাবে পরস্পর যুক্ত।…
মেলবোর্ন ৩১ ডিসেম্বর- নতুন বছরে দক্ষিণ এশিয়ায় আবারও বড় ধরনের সশস্ত্র সংঘাতের ঝুঁকি দেখছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রভাবশালী থিঙ্কট্যাঙ্ক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্স (সিএফআর)। সংস্থাটির এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী তৎপরতা বাড়লে ২০২৬ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
রোববার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে করা একটি জরিপের ফল তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং সাম্প্রতিক সামরিক সংঘর্ষের অভিজ্ঞতা ভারত–পাকিস্তান সম্পর্ককে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।
সিএফআর বলছে, বর্তমান মার্কিন প্রশাসন কঙ্গো, গাজা ও ইউক্রেনসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সংঘাত নিরসনের চেষ্টা চালালেও দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত–পাকিস্তান এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কম্বোডিয়া–থাইল্যান্ডের উত্তেজনা বিশেষ উদ্বেগের কারণ হয়ে আছে।
প্রতিবেদনে চলতি বছরের মে মাসের ঘটনাও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তিন দিনের সামরিক সংঘাত শুরু হয়। ৬ মে রাতে ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামের অভিযানে পাকিস্তানি ভূখণ্ডে হামলা চালায়। ভারতের দাবি অনুযায়ী, ওই অভিযানে সন্ত্রাসী ঘাঁটি লক্ষ্য করে শতাধিক জঙ্গি নিহত হয়।
এর জবাবে ৭ থেকে ১০ মে পর্যন্ত পাকিস্তান সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহার করে ভারতের সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায়। পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১০ মে উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
সিএফআর আরও জানিয়েছে, শুধু ভারত–পাকিস্তান নয়, চলতি বছরে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যেও সীমান্ত উত্তেজনা বেড়েছে। অক্টোবরে কাবুলে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) প্রধান নুর ওয়ালি মেহসুদকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানের বিমান হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে জঙ্গি হামলা বাড়তে থাকলে ২০২৬ সালে আফগানিস্তান–পাকিস্তানের মধ্যেও মাঝারি মাত্রার সশস্ত্র সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ায় পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে এমন উত্তেজনা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে।
সুত্রঃ এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au