ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৭
মেলবোর্ন, ২৫ জুন- দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও…
মেলবোর্ন, ২ জানুয়ারি- প্রায় দু’বছর পর নিজের মেয়ে কিম জু আয়ে-কে আবার জনসমক্ষে এনেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা কেসিএনএ কিম জং উন, তার স্ত্রী রি সোল জু এবং মেয়ের একাধিক ছবি প্রকাশ করেছে, যা ঘিরে দেশ-বিদেশে নানা ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে।
কেসিএনএর প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে উত্তর কোরিয়ার সাবেক প্রয়াত শাসকদের সমাধিসৌধ কুমসুসান প্যালেস অব দ্য সান-এ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান কিম জং উন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রি সোল জু, মেয়ে কিম জু আয়ে এবং শীর্ষ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা। দীর্ঘদিন পর কিমের মেয়েকে এমন রাষ্ট্রীয় ও প্রতীকী অনুষ্ঠানে দেখা যাওয়ায় বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
এর আগে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে পিয়ংইয়ংয়ে সেনাবাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে প্রথমবার কিম জু আয়ে-কে জনসমক্ষে এনেছিলেন কিম জং উন। এরপর দীর্ঘ সময় তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। ফলে নতুন করে মেয়েকে সামনে আনার পেছনে কিম জং উনের উদ্দেশ্য কী, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, এটি উত্তরাধিকার সংক্রান্ত কোনো বার্তা নয়। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত থিঙ্ক ট্যাংক কোরিয়ান ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল ইউনিফিকেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হং মিন বলেছেন, কিম জু আয়ের বয়স আনুমানিক ১৩ বছর। এই বয়সে উত্তরাধিকার প্রশ্ন তো দূরের কথা, কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য হওয়ার যোগ্যতাও তার হয়নি। কিম জং উন বিষয়টি ভালোভাবেই জানেন।
হং মিনের মতে, এসব ছবি প্রকাশের মাধ্যমে কিম মূলত ভিন্ন একটি বার্তা দিতে চাইছেন। তিনি বলেন, “এতে বোঝানো হচ্ছে যে কিম জং উনের পরিবার স্থিতিশীল এবং তিনি একজন সুখী পারিবারিক মানুষ। এটি অভ্যন্তরীণভাবে জনগণের কাছে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও একটি নির্দিষ্ট ইমেজ তুলে ধরার কৌশল হতে পারে।”
উল্লেখ্য, উত্তর কোরিয়ার সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কিম জু আয়ের বয়স বা ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ধারণা করা হয়, তার জন্ম ২০১৩ সালের শুরুর দিকে।
বিশ্লেষকদের মতে, কিম জং উনের পারিবারিক উপস্থিতি সামনে এনে দেশটির নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা, স্থিতিশীলতা এবং ক্ষমতার কেন্দ্রে তার অবস্থানকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার মতো বন্ধ রাষ্ট্রে এসব প্রতীকী উপস্থিতি রাজনৈতিক বার্তা বহন করে, আর সাম্প্রতিক ছবিগুলোও সেই কৌশলেরই অংশ বলে মনে করছেন তারা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au