ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৭
মেলবোর্ন, ২৫ জুন- দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও…
মেলবোর্ন, ২ জানুয়ারি- ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানজুড়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে চলমান বিক্ষোভে প্রাণহানির ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে প্রস্তুত রয়েছে।
শুক্রবার নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ইরান যদি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায় এবং সহিংসভাবে হত্যা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি প্রস্তুত হয়েই বসে আছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।
গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় এই বিক্ষোভে ইতোমধ্যে একাধিক প্রাণহানির খবর এসেছে। দেশটির বিভিন্ন প্রদেশে অর্থনৈতিক দুরবস্থার প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটছে নিয়মিত।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কুহদাশতে বৃহস্পতিবার রাতভর চলা সহিংসতায় নিরাপত্তা বাহিনীর এক স্বেচ্ছাসেবক সদস্য নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
গত রোববার থেকে মুদ্রার দ্রুত অবমূল্যায়ন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং সরকারের ভুল অর্থনৈতিক নীতির প্রতিবাদে প্রথমে দোকানদাররা কর্মসূচি শুরু করেন। পরে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেই আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারি ইরান পরিস্থিতিকে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনার দিকে ঠেলে দিতে পারে। ২০১৮ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে আসার পর ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। সেই নিষেধাজ্ঞার প্রভাবেই দীর্ঘদিন ধরে দেশটির অর্থনীতি সংকটে রয়েছে।
তবে এবারের বিক্ষোভ ২০২২ সালের আন্দোলনের তুলনায় তুলনামূলকভাবে ছোট পরিসরের। সে সময় মাহসা আমিনির পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। ওই আন্দোলনে কয়েক শ মানুষের প্রাণহানি ঘটে, যার মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও ছিলেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে তেহরান সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ইরানের রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au