ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৭
মেলবোর্ন, ২৫ জুন- দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও…
মেলবোর্ন, ৩ জানুয়ারি- ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান কিরিলো বুদানভকে প্রেসিডেন্টের দপ্তরের নতুন প্রধান হিসেবে মনোনীত করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ঘোষণায় তিনি এ তথ্য জানান। গত নভেম্বরে দুর্নীতি কেলেঙ্কারির জেরে আগের চিফ অব স্টাফ আন্দ্রি ইয়ারমাক পদত্যাগ করার পর শীর্ষ এই পদটি শূন্য ছিল।
৩৯ বছর বয়সী বুদানভ রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইউক্রেনে সাহসী ও কার্যকর অভিযানের নেপথ্য কৌশলবিদ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও গোয়েন্দা অভিযানের পরিকল্পনায় তার ভূমিকা দেশটির নিরাপত্তা মহলে তাকে প্রায় কিংবদন্তিতুল্য অবস্থানে নিয়ে গেছে।
জেলেনস্কি বলেন, বুদানভের সঙ্গে বৈঠকে তাকে প্রেসিডেন্টের দপ্তরের প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তার ভাষায়, যুদ্ধের এই সংকটময় সময়ে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা কাঠামো শক্তিশালী করা এবং কূটনৈতিক আলোচনার ধারাকে এগিয়ে নিতে অভিজ্ঞ ও দৃঢ় নেতৃত্ব জরুরি। এসব ক্ষেত্রেই বুদানভের দক্ষতা প্রমাণিত।
এই মনোনয়ন এমন এক সময়ে এলো, যখন যুদ্ধের চার বছর পেরিয়ে ইউক্রেন নতুন মোড়ের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। জেলেনস্কি বুধবার জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সম্ভাব্য একটি শান্তিচুক্তির কাঠামো প্রায় ৯০ শতাংশ প্রস্তুত। ফলে সামরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি কূটনৈতিক সমন্বয়ের গুরুত্বও বেড়েছে।
বুদানভ প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন এবং ইউক্রেনের সেবায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, দেশের এই ঐতিহাসিক সময়ে কৌশলগত নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেওয়া তার জন্য গর্বের পাশাপাশি বড় দায়িত্ব।
প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা দিমিত্রো লিতভিন জানিয়েছেন, বুদানভকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিফ অব স্টাফ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দায়িত্ব পেলে তিনি স্থলাভিষিক্ত হবেন আন্দ্রি ইয়ারমাকের, যিনি একসময় জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠতম সহযোগী ছিলেন। তবে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে তার বাড়িতে তল্লাশির পর পদত্যাগ করতে হয় তাকে। সমালোচকদের মতে, ইয়ারমাক অতিরিক্ত ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছিলেন এবং প্রেসিডেন্টের আশপাশের রাজনৈতিক ভারসাম্যকে প্রভাবিত করছিলেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে প্রাণঘাতী এই সংঘাতে গত চার বছরে অন্তত ১০ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে এবং ইউক্রেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বুদানভের এই নতুন ভূমিকা কিয়েভের ক্ষমতার কেন্দ্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সুত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au