ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’-এর দাপট, আলোচনায় ‘সিনার্স’ও
মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ: লস অ্যাঞ্জেলসে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কার ২০২৬। এবারের আসরে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছে “One Battle After Another”,…
মেলবোর্ন ১০ জানুয়ারি- কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় মিয়ানমার দিক থেকে ছোড়া গুলিতে এক বাংলাদেশি জেলে আহত হয়েছেন। আহত জেলের নাম মোহাম্মদ আলমগীর। শুক্রবার দুপুর থেকে তিনি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নাফ নদীর বাংলাদেশ জলসীমার হোয়াইক্যং অংশে। আলমগীর টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বালুখালী গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত ছৈয়দ বলির ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু জানান, সীমান্ত এলাকায় মাঝেমধ্যে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। বৃহস্পতিবার রাতেও কয়েক রাউন্ড গুলির পাশাপাশি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। এ সময় মিয়ানমার অংশ থেকে ছোড়া একটি গুলিতে স্থানীয় এক জেলে আহত হন।
আহত জেলের বড় ভাই সরওয়ার আলম জানান, বৃহস্পতিবার মাগরিবের পর আলমগীর ও আরেক জেলে আকবর নাফ নদীর হোয়াইক্যংয়ের বিলাইচ্ছর দ্বীপসংলগ্ন এলাকায় মাছ ধরতে যান। নৌকায় অবস্থান করে জাল ফেলছিলেন তারা। হঠাৎ বিকট শব্দে কয়েক রাউন্ড গুলির আওয়াজ শোনা যায়। কিছুক্ষণ পর আলমগীর নৌকার ভেতর লুটিয়ে পড়েন। পরে দেখা যায়, তার বাম হাত দিয়ে একটি গুলি ঢুকে বেরিয়ে গেছে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
সঙ্গে থাকা জেলেদের সহায়তায় আলমগীরকে উদ্ধার করে প্রথমে উখিয়ার কুতুপালং এমএমএস হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শুক্রবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে বিজিবি উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, জেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার তথ্য তারা পেয়েছেন। ঘটনার পর নাফ নদীসংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। নদীতে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কিছু জেলে সেখানে যাচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে জেলেদের আরও সচেতন করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সীমান্তের ওপারে রাখাইনের মংডু টাউনশিপের উত্তর মংডু এলাকায় ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করে আসছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মি। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে জান্তা নিয়ন্ত্রিত মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তাদের তীব্র সংঘাত চলছে।
জাতিসংঘের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত এই সংঘাত ও সহিংসতার কারণে নতুন করে অন্তত এক লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
এর আগেও গত ১৩, ১৭ এবং সর্বশেষ ২৭ ডিসেম্বর রাতে মিয়ানমার অংশ থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় গোলাগুলির শব্দ শোনা গিয়েছিল। সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au