ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, নিহত ১
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে…
মেলবোর্ন ১০ জানুয়ারি: বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর বাড়তে থাকা সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে যুক্তরাজ্যের ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ভেট কুপারকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান সহিংসতা নিয়ে যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।
চিঠিতে প্রীতি প্যাটেল জানান, মাত্র ১৮ দিনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হিন্দু নিহত হওয়ার খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। তিনি পরিস্থিতিকে “চরম উদ্বেগজনক ও সম্পূর্ণ অসহনীয়” বলে অভিহিত করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এর আগেও এই বিষয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে আলোচনা হয়েছে, বিশেষ করে ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর হাউস অব কমন্সে তোলা একটি জরুরি প্রশ্নের কথা উল্লেখ করেন। সেই আলোচনায় ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ সফরের সময় ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ছিল এবং ব্রিটিশ সরকার পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ও বাংলাদেশ সরকারের কাছে উদ্বেগ জানাবে।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ভেট কুপারের কাছে চিঠি পাঠান প্রীতি প্যাটেল। ছবি: https://x.com/pritipatel/status/2009547704972521857
প্রীতি প্যাটেল এখন জানতে চেয়েছেন, গত এক বছরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্য সরকার কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি জানতে চান, কীভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, কখন এবং কী ধরনের কূটনৈতিক যোগাযোগ ও প্রতিনিধিত্ব করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা অন্য মন্ত্রীরা বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই সহিংসতা নিয়ে কী ধরনের আলোচনা করেছেন, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যাও তিনি চেয়েছেন।
চিঠিতে প্যাটেল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাজ্যকে কী ধরনের নিশ্চয়তা দিয়েছে। তিনি জানতে চান, এই বিষয়গুলো যুক্তরাজ্যে অবস্থিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনের সঙ্গেও তোলা হয়েছে কি না।
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়টিও তিনি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেছেন। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কূটনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে যুক্তরাজ্য কী ভূমিকা রাখছে, সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রীতি প্যাটেল বলেন, ব্রিটিশ প্রবাসী বাংলাদেশি ও তাদের আত্মীয়স্বজনের জন্য এই পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগের বিষয়। চিঠির শেষ অংশে তিনি সরকারের কাছে সংসদে একটি বিবৃতি দেওয়ার দাবি জানান, যাতে হাউস অব কমন্সে বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতি ও ব্রিটিশ সরকারের সামগ্রিক অবস্থান ও করণীয় স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au