ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’-এর দাপট, আলোচনায় ‘সিনার্স’ও
মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ: লস অ্যাঞ্জেলসে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কার ২০২৬। এবারের আসরে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছে “One Battle After Another”,…
মেলবোর্ন, ১২ জানুয়ারি- ভারত সরকারের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু রাইসিনা হিলসের মানচিত্র বদলে যাচ্ছে। সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অন্তর্গত নবনির্মিত ‘এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ’-এ স্থানান্তরিত হচ্ছে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর অফিস (PMO India)।
ভারতের নতুন অফিসের নামকরণ করা হয়েছে ‘সেবাতীর্থ’। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই নতুন অফিস স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শেষ হতে পারে।
‘সেবাতীর্থ’ (Seva Tirth) নামে রাইসিনা হিলের কাছে তিনটি অত্যাধুনিক ভবন নিয়ে গঠিত হয়েছে এই এনক্লেভ। গোটা চত্বরটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সেবাতীর্থ’, যা মূলত ‘জনসেবা’র চেতনাকে তুলে ধরে। ভবন তিনটির বিন্যাস করা এভাবে-
সেবাতীর্থ-১: এখানে থাকবে প্রধানমন্ত্রীর মূল অফিস।
সেবাতীর্থ-২: এটি ক্যাবিনেট সচিবালয় হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
সেবাতীর্থ-৩: এখানে বসবেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) বা অজিত ডোভালের সচিবালয়।
প্রধানমন্ত্রীর অফিস সরে যাওয়ার পর ঐতিহ্যবাহী সাউথ ও নর্থ ব্লককে এক বিশাল আন্তর্জাতিক মানের সংগ্রহশালায় রূপান্তরিত করা হবে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘যুগ যুগীন ভারত সংগ্রহালয়।’
এই প্রকল্পের জন্য ভারতের জাতীয় জাদুঘর এবং ফ্রান্সের জাদুঘর উন্নয়ন সংস্থার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এখানে ভারতের হাজার বছরের প্রাচীন ঐতিহ্য থেকে শুরু করে বর্তমান ও ভবিষ্যতের ভারত— সবটাই উপস্থাপিত হবে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সাউথ ব্লক স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের ক্ষমতার অলিন্দ হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের মাধ্যমে কেন্দ্র প্রশাসনকে আরও আধুনিক ও সমন্বিত রূপ দিতে চাইছে।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর স্থানান্তরের মাধ্যমে ভারতের প্রশাসনিক কাঠামোয় এক বড়সড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। চলতি মাসের শেষের দিকেই নরেন্দ্র মোদি তার নতুন দপ্তরে প্রথম ফাইলে সই করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au