ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’-এর দাপট, আলোচনায় ‘সিনার্স’ও
মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ: লস অ্যাঞ্জেলসে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কার ২০২৬। এবারের আসরে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছে “One Battle After Another”,…
মেলবোর্ন, ১৩ জানুয়ারি- এ যেন হাড়হিম করা থ্রিলার সিনেমার দৃশ্যকেও যেন হার মানায়! পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলার দিনহাটায় ঘটেছে নৃশংস এক হত্যাকাণ্ড। নরমাংস খেতে এক ভবঘুরেকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
পুলিশ ওই ঘটনায় জড়িত সাহেবগঞ্জ থানার কুর্শাহাটের ‘নর খাদক’ ফেরদৌস আলমকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনার খবর প্রকাশ হতেই গোটা এলাকা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
এই ঘটনার পর সাংবাদিক সম্মেলন করে দিনহাটার পুলিশ কর্মকর্তা ধীমান মিত্র বলেন, ‘কুর্শাহাট শ্মশানে গত প্রায় এক বছর ধরে একজন ভবঘুরে থাকছিলেন। সেই ভবঘুরে একজন ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে খুন করে শ্মশানের পাশের একটি ফাঁকা মাঠে ফেলে দেয়।’
“মানসিক ভারসাম্যহীন ওই ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। গত ১০ জানুয়ারি সেই ঘটনা সামনে আসার পরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সেই তদন্তে ফেরদৌস আলম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য।”
প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, খুনের পর নরমাংস খাবার উদ্দেশ্যে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধুয়ে সেই মরদেহ পরিষ্কার করেছিল অভিযুক্ত! এরপর মৃতের মুণ্ডু কেটে দেহ ফেলে দেওয়া হয়!
পুলিশ অন্যান্যও বিষয় খতিয়ে দেখছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্তকে আদালতের অনুমতিতে চার দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
তদন্ত করতে পুলিশ জানতে পারে, ভবঘুরে ফেরদৌস আলম অবস্থায় ওই শ্মশানে বসবাস করছিল। কোনও সিসি ক্যামেরা ছিল না সেখানে। তাই স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ফেরদৌসকে গ্রেপ্তার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, খুন করতেই ওই ভবঘুরাকে বেছে নিয়েছিল। নরমাংস খাবার উদ্দেশ্য ছিল তার।
মৃতদেহের বিভিন্ন অংশ ক্ষতবিক্ষত করার ধরন দেখে পুলিশের অনুমান, শরীর থেকে মাংস কাটা হয়েছিল। তবে অভিযুক্তর বয়ানে বিভিন্ন ধরনের অসঙ্গতি পুলিশ প্রাথমিকভাবে পেয়েছে।
ফেরদৌস আলম কখনও দাবি করছে, তাকে কেউ বলেছিল এটা করতে। আবার কখনও বলছে, সে নিজেই এই কাজ করেছে।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন.ইন
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au