‘আর মাত্র ৫ বছর বাঁচব’, কী হয়েছে তানিয়া বৃষ্টির?
ওটিএন বাংলা রিপোর্ট : ‘আর মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর বাঁচব’—চিকিৎসকের মুখে এমন কথা শুনতে হয়েছিল ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টিকে। ব্রেন টিউমার…
মেলবোর্ন, ১৮ জানুয়ারি- রংপুরের তারাগঞ্জে গণপিটুনিতে দুই ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির এক উপজেলা নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সর্বশেষ গ্রেপ্তারের পর এ মামলায় মোট গ্রেপ্তার সংখ্যা দাঁড়াল ১১ জনে।
গ্রেপ্তার হওয়া নেতার নাম ইউনুস আলী (৩২)। তিনি এবি পার্টির তারাগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব। তার বাড়ি উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের মামুনপাড়া গ্রামে।
তারাগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রূপলাল দাস ও প্রদীপ লাল হত্যা মামলায় ইউনুস আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ, বিভিন্ন তথ্য এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৯ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিঠাপুকুরের ছরান বালুয়া এলাকা থেকে ভাগনির স্বামী প্রদীপ লালকে নিয়ে ভ্যানে করে বাড়ি ফিরছিলেন রূপলাল দাস। পথে সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট বটতলা মোড়ে স্থানীয় কয়েকজন তাদের পথরোধ করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রদীপ লালের সঙ্গে থাকা একটি কালো ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। ব্যাগে একটি পানীয়ের বোতল ও কিছু ওষুধ পাওয়া গেলে বোতলের ঢাকনা খোলার পর দুর্গন্ধ ছড়ায়। এতে কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এই ঘটনার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। উত্তেজিত জনতা রূপলাল দাস ও প্রদীপ লালকে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের মাঠে নিয়ে গিয়ে পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রূপলাল দাসকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত প্রদীপ লালকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরদিন ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহত রূপলাল দাসের স্ত্রী ভারতী রানী গত বছরের ১০ আগস্ট তারাগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা প্রায় সাত শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে ভিডিও ফুটেজ ও স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ একে একে আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার শুরু করে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের শনাক্তে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au