ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’-এর দাপট, আলোচনায় ‘সিনার্স’ও
মেলবোর্ন, ১৭ মার্চ: লস অ্যাঞ্জেলসে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কার ২০২৬। এবারের আসরে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছে “One Battle After Another”,…
মেলবোর্ন, ১৯ জানুয়ারি- প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিনোদন জগতের একজন পরিচিত মুখ। কিন্তু হলিউডে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করার এই যাত্রা তার জন্য মোটেই সহজ ছিল না। এই যাত্রায় অনেক সংগ্রামের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে।
সম্প্রতি অভিনেত্রীর ম্যানেজার অঞ্জুলা আচারিয়া এক সাক্ষাৎকারে সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। প্রিয়াঙ্কাকে আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে তাকে তীব্র সমালোচনা ও উপহাসের মুখে পড়তে হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
‘দ্য ওকে সুইটি শো’-তে কথা বলতে গিয়ে অঞ্জুলা জানান, ভারতে ইতোমধ্যে সুপারস্টার হওয়া সত্ত্বেও প্রিয়াঙ্কাকে পশ্চিমা দুনিয়ায় নতুন করে নিজেকে পরিচয় করাতে দেখে ভীষণ কষ্ট পেয়েছিলেন তিনি। অঞ্জুলা বলেন, ‘মনে হচ্ছিল, ভেতরে ভেতরে আমি মরে যাচ্ছি। এমন একজন শিল্পী, যিনি নিজের দেশে বিয়ন্সের মতো জনপ্রিয়, তাকে এমন জায়গায় নিজেকে পরিচয় দিতে হচ্ছে, যেখানে কেউ জানেই না তিনি কে।’
এছাড়া প্রিয়াঙ্কার নম্রতা তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল উল্লেখ করে অঞ্জুলা উল্লেখ করেন, ‘‘তার কোনো অহংকার ছিল না। অনেক সময় কোনো একটি কাজ নিয়ে আমি ভাবতাম, ‘আমরা এর ঊর্ধ্বে,’ কিন্তু সে বলত, ‘না, আমরা নই। আমাদের এটা করতে হবে।’ প্রিয়াঙ্কা আমাকে বাস্তবতা আর নম্রতা দুটোই শিখিয়েছে।’’
সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীর ম্যানেজার স্মরণ করে জানান, প্রিয়াঙ্কাকে আমেরিকায় আনার সিদ্ধান্তে অনেকেই তাকে নিরুৎসাহিত করেছিলেন। ‘লোকেরা আমাকে বলেছিল, আমি বোকা। তারা বলেছিল, ‘আমেরিকায় একজন বাদামী বলিউড তারকাকে কখনো প্রতিষ্ঠিত করা যাবে না,’ বলেন তিনি।
এই সন্দেহ ও অনিশ্চয়তার সময়ে অঞ্জুলা ইন্টারস্কোপ রেকর্ডসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জিমি আইওভিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার ভাষায়, ‘আমি জিমিকে জানিয়েছিলাম, সবাই বলছে আমি ভুল করছি। তখন তিনি আমায় মনে করিয়ে দেন যে, তিনি এমিনেমের মতো একজন শ্বেতাঙ্গ র্যাপারকে লঞ্চ করতে গিয়ে একই ধরনের সংশয়ের মুখে পড়েছিল।’
উল্লেখ্য, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ২০১৫ সালে এবিসি সিরিজ ‘কোয়ান্টিকো’র মাধ্যমে হলিউডে প্রধান চরিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর তিনি ‘বেওয়াচ’-এ ডোয়াইন জনসন ও জ্যাক এফ্রনের সঙ্গে অভিনয় করেন। পরবর্তীতে ‘দ্য ম্যাট্রিক্স রিসারেকশনস’, ‘সিটাডেল’, ‘লাভ অ্যাগেইন’ এবং ‘ইজন্ট ইট রোমান্টিক’র মতো আন্তর্জাতিক সব প্রকল্পে কাজ করেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au