‘জিস্ম’ করার পর কেরিয়ার শেষ হয়ে যেতে পারে, বিপাশা
২০০১ সালে ‘অজনবী’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় বিপাশা বসুর। এরপর ‘রাজ’-এর মতো একাধিক সফল সিনেমায় অভিনয় করে নিজের অবস্থান শক্ত করেন তিনি। তবে ২০০৩…
মেলবোর্ন, ২১ ফেব্রুয়ারি- স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ তিন বছরের জন্য স্থগিত করার আবেদন জানিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বুধবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকীর সই করা চিঠিটি জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির কাছে পাঠানো হয় বলে ইআরডি সূত্রে জানা গেছে। আগামী ২৪ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি সিডিপির বৈঠকে বাংলাদেশের এ অনুরোধ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হবে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এলডিসি উত্তরণের আগে যে প্রস্তুতিকাল সরকার পেয়েছিল, তা মূলত কোভিড-পরবর্তী পাঁচ বছরের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু ওই সময়ে একাধিক বৈশ্বিক ধাক্কা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী কঠোর মুদ্রানীতি, বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব, শিপিং খাতে সরবরাহ বিঘ্ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে।
অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতেও বিনিয়োগ হ্রাস, রাজস্ব প্রবৃদ্ধির নিম্নগতি এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার বিষয়টি চিঠিতে তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, এসব কারণে কাঠামোগত সংস্কারের গতি প্রত্যাশিত মাত্রায় এগোয়নি এবং উত্তরণ-পরবর্তী বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত ও নীতিগত সমন্বয় সম্পূর্ণভাবে কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।
সরকার আরও জানিয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতিতে উচ্চমাত্রার অনিশ্চয়তা রয়েছে। বিশেষ করে ইউরোপীয় বাজারে জিএসপি প্লাস সুবিধা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রধান বাণিজ্য অংশীদারদের নীতিগত পরিবর্তন বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এসব ঝুঁকি মোকাবেলায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ তিন বছরের জন্য একটি ক্রাইসিস অ্যাসেসমেন্ট পরিচালনা এবং সম্ভাব্য সময় বৃদ্ধি চেয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফেব্রুয়ারির বৈঠকের পর প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি প্রাথমিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রস্তুত হতে পারে। এরপর সিডিপি তাদের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ দেবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে আগামী সেপ্টেম্বরে।
বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এলডিসি তালিকাভুক্ত হয়। এলডিসিভুক্ত থাকার সুবাদে পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধাসহ নানা বাণিজ্যিক সুযোগ পেয়ে এসেছে দেশটি। ২০১৮ ও ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নে তিন সূচকেই উত্তীর্ণ হওয়ার পর ২০২১ সালে সুপারিশ করা হয়, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে। তবে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত দুই বছর সময় বাড়ানো হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au